ঢাকা ১২:৩৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৬ ডিসেম্বর ২০২৫, ২২ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

আন্দোলন হাইজ্যাক হয়েছে, দাবি নেপালের তরুণদের

  • অনলাইন ডেস্ক
  • প্রকাশের সময় : ০৯:৫৭:১০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • ১৭৩ বার পড়া হয়েছে

নেপালে চলমান রাজনৈতিক অস্থিরতা নতুন মোড় নিয়েছে। জেন-জির নেতৃত্বে শুরু হওয়া আন্দোলন সহিংসতায় গড়ালেও তরুণরা দাবি করছে, তাদের শান্তিপূর্ণ আন্দোলনকে সুযোগসন্ধানী একটি দল ‘হাইজ্যাক’ করেছে।

৯ সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা ওলির পদত্যাগের পরপরই দেশজুড়ে সহিংসতা শুরু হয়। পার্লামেন্ট ভবন, সুপ্রিম কোর্টসহ একাধিক সরকারি স্থাপনায় অগ্নিসংযোগ ও লুটপাট চালানো হয়। এমনকি কারাগারে হামলা চালিয়ে বন্দিদের পালাতেও সহায়তা করা হয়। এসব ঘটনায় নিজেদের সম্পৃক্ততা অস্বীকার করেছে আন্দোলনের মূল নেতৃত্ব।

অরাজক পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সেনাবাহিনী মঙ্গলবার রাত থেকে দেশটির নিরাপত্তার দায়িত্ব নেয়। বুধবার সকাল থেকে কাঠমান্ডুসহ বিভিন্ন এলাকায় কারফিউ ও কড়াকড়ি বিধিনিষেধ জারি করা হয়েছে। রাস্তায় বের হলেই চলছে পরিচয়পত্র পরীক্ষা, লাউডস্পিকারে প্রচার করা হচ্ছে সতর্কবার্তা।

তবে সকালে কিছু তরুণকে রাস্তায় দেখা গেছে ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক ও অবকাঠামো পরিষ্কার করতে। তাদের মধ্যে ১৪ বছরের সাং লামা নামের এক কিশোরী বলেন, “আমরা আন্দোলনে নামিনি, কিন্তু দুর্নীতি আর দুঃশাসনের শেষ দেখতে চাই। আশা করি এবার পরিবর্তন আসবে।”

সূত্র: বিবিসি

খবর টি শেয়ার করুন :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Munna Khan

রূপগঞ্জের হোড়গাঁওয়ে মাদক কারবারি ও ভূমিদস্যুদের বিরুদ্ধে গ্রামবাসীর মানববন্ধন

আন্দোলন হাইজ্যাক হয়েছে, দাবি নেপালের তরুণদের

প্রকাশের সময় : ০৯:৫৭:১০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৫

নেপালে চলমান রাজনৈতিক অস্থিরতা নতুন মোড় নিয়েছে। জেন-জির নেতৃত্বে শুরু হওয়া আন্দোলন সহিংসতায় গড়ালেও তরুণরা দাবি করছে, তাদের শান্তিপূর্ণ আন্দোলনকে সুযোগসন্ধানী একটি দল ‘হাইজ্যাক’ করেছে।

৯ সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা ওলির পদত্যাগের পরপরই দেশজুড়ে সহিংসতা শুরু হয়। পার্লামেন্ট ভবন, সুপ্রিম কোর্টসহ একাধিক সরকারি স্থাপনায় অগ্নিসংযোগ ও লুটপাট চালানো হয়। এমনকি কারাগারে হামলা চালিয়ে বন্দিদের পালাতেও সহায়তা করা হয়। এসব ঘটনায় নিজেদের সম্পৃক্ততা অস্বীকার করেছে আন্দোলনের মূল নেতৃত্ব।

অরাজক পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সেনাবাহিনী মঙ্গলবার রাত থেকে দেশটির নিরাপত্তার দায়িত্ব নেয়। বুধবার সকাল থেকে কাঠমান্ডুসহ বিভিন্ন এলাকায় কারফিউ ও কড়াকড়ি বিধিনিষেধ জারি করা হয়েছে। রাস্তায় বের হলেই চলছে পরিচয়পত্র পরীক্ষা, লাউডস্পিকারে প্রচার করা হচ্ছে সতর্কবার্তা।

তবে সকালে কিছু তরুণকে রাস্তায় দেখা গেছে ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক ও অবকাঠামো পরিষ্কার করতে। তাদের মধ্যে ১৪ বছরের সাং লামা নামের এক কিশোরী বলেন, “আমরা আন্দোলনে নামিনি, কিন্তু দুর্নীতি আর দুঃশাসনের শেষ দেখতে চাই। আশা করি এবার পরিবর্তন আসবে।”

সূত্র: বিবিসি