ভারতের সঙ্গে স্পর্শকাতর বিষয়গুলোতে চ্যালেঞ্জ জানানোয় প্রধানমন্ত্রিত্ব হারাতে হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন নেপালের সদ্য পদত্যাগী প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা ওলি।
৯ সেপ্টেম্বর জেন-জির বিক্ষোভের মুখে পদত্যাগ করেন তিনি। গুঞ্জন উঠেছিল, ওলি দেশ ছেড়ে পালিয়েছেন। তবে তিনি নেপালেই অবস্থান করছেন এবং বর্তমানে সেনাবাহিনীর শিবপুরি ব্যারাকে আছেন। বুধবার নিজ দলের মহাসচিবের কাছে পাঠানো এক চিঠিতে ওলি দাবি করেন, “যদি আমি লিপুলেখ ইস্যুতে প্রশ্ন না তুলতাম এবং অযোধ্যা ও দেবতা রাম নিয়ে মন্তব্য না করতাম, তবে হয়তো ক্ষমতায় থাকতে পারতাম।”
লিপুলেখ নিয়ে দ্বন্দ্ব
ভারত-নেপাল সীমান্তে কালাপানি ও লিপুলেখ অঞ্চল দীর্ঘদিনের বিরোধপূর্ণ। নেপালের দাবি, কালী নদীর উৎস লিম্পিয়াধুড়া থেকে হওয়ায় অঞ্চলটি তাদের ভূখণ্ড। কিন্তু ভারত মনে করে নদীর উৎপত্তি কালাপানি গ্রামে, তাই এলাকা উত্তরাখণ্ডের অংশ। ওলির সরকার এ বিষয়ে কঠোর অবস্থান নিয়ে ওই অঞ্চলকে নেপালের “অবিচ্ছেদ্য অংশ” ঘোষণা করেছিল।
অযোধ্যা ও রাম বিতর্ক
২০২০ সালে ওলি বলেছিলেন, দেবতা রামের জন্মস্থান ভারত নয়, নেপাল। তার দাবি, “রামের অযোধ্যা আসলে নেপালের পূর্ব বীরগঞ্জে, ভারত ভুয়া অযোধ্যা বানিয়েছে।” তিনি যুক্তি দেন, প্রাচীনকালে দূরের স্থানে বিয়ের প্রচলন ছিল না, তাই নেপালের জনকপুরের সীতাকে ভারতের রাম বিয়ে করেছেন—এ ধারণা ভুল। এসব বক্তব্য ভারতে তীব্র সমালোচনার জন্ম দিয়েছিল।
সূত্র: ইন্ডিয়া টুডে
আন্তর্জাতিক ডেস্ক 














