ঢাকা ০১:৫৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৫ ডিসেম্বর ২০২৫, ২০ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

নেপালের সাবেক প্রধানমন্ত্রীকে মারধর, উদ্ধার করলো সেনাবাহিনী

নেপালে চলমান বিক্ষোভ সহিংস রূপ নিয়েছে। দুর্নীতি, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম নিষিদ্ধকরণ এবং বিক্ষোভকারীদের মৃত্যুর ঘটনায় উত্তাল জনতা মঙ্গলবার (৯ সেপ্টেম্বর) রাজধানী কাঠমান্ডুসহ বিভিন্ন শহরে তাণ্ডব চালায়।

এই পরিস্থিতিতে পদত্যাগ করেছেন প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা ওলি এবং প্রেসিডেন্ট রামচন্দ্র পাউডেল। ওলির সরে দাঁড়ানোর পর বিক্ষোভকারীরা পার্লামেন্ট ভবনসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করে।

শুধু তাই নয়, সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও কয়েকজন মন্ত্রীর বাড়িতেও হামলা চালানো হয়। এর মধ্যে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শের বাহাদুর দিউবার বাসভবনে ঢুকে শত শত বিক্ষোভকারী তাকে ও তার স্ত্রীকে মারধর করে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, এ সময় দিউবার মুখ থেকে রক্ত ঝরতে দেখা যায়। আহত অবস্থায় তিনি অসহায় হয়ে ঘাসের ওপর বসে ছিলেন। পরে সেনাবাহিনী এগিয়ে এসে দিউবা দম্পতিকে উদ্ধার করে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেয়।

এর আগে সোমবার নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে অন্তত ১৯ জন বিক্ষোভকারী নিহত হন, যাদের বেশিরভাগই স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী। এই ঘটনাতেই ক্ষোভ আরও বেড়ে যায় এবং মঙ্গলবার সকালে কারফিউ উপেক্ষা করে হাজার হাজার মানুষ রাস্তায় নেমে আসে।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে না আসায় সেনাপ্রধান সরাসরি প্রধানমন্ত্রী ওলিকে পদত্যাগের আহ্বান জানান। পরে তিনি পদত্যাগপত্র জমা দেন। স্থানীয় গণমাধ্যমের খবরে বলা হচ্ছে, ওলি দেশ ছাড়তে পারেন এবং দুবাইয়ে আশ্রয় নেওয়ার চেষ্টা করছেন।

সূত্র: এনডিটিভি

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Munna Khan

জামালপুরে জেলা দলিল লেখক সমিতির সভাপতির বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন।

নেপালের সাবেক প্রধানমন্ত্রীকে মারধর, উদ্ধার করলো সেনাবাহিনী

প্রকাশের সময় : ০৯:৫৫:০৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫

নেপালে চলমান বিক্ষোভ সহিংস রূপ নিয়েছে। দুর্নীতি, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম নিষিদ্ধকরণ এবং বিক্ষোভকারীদের মৃত্যুর ঘটনায় উত্তাল জনতা মঙ্গলবার (৯ সেপ্টেম্বর) রাজধানী কাঠমান্ডুসহ বিভিন্ন শহরে তাণ্ডব চালায়।

এই পরিস্থিতিতে পদত্যাগ করেছেন প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা ওলি এবং প্রেসিডেন্ট রামচন্দ্র পাউডেল। ওলির সরে দাঁড়ানোর পর বিক্ষোভকারীরা পার্লামেন্ট ভবনসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করে।

শুধু তাই নয়, সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও কয়েকজন মন্ত্রীর বাড়িতেও হামলা চালানো হয়। এর মধ্যে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শের বাহাদুর দিউবার বাসভবনে ঢুকে শত শত বিক্ষোভকারী তাকে ও তার স্ত্রীকে মারধর করে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, এ সময় দিউবার মুখ থেকে রক্ত ঝরতে দেখা যায়। আহত অবস্থায় তিনি অসহায় হয়ে ঘাসের ওপর বসে ছিলেন। পরে সেনাবাহিনী এগিয়ে এসে দিউবা দম্পতিকে উদ্ধার করে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেয়।

এর আগে সোমবার নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে অন্তত ১৯ জন বিক্ষোভকারী নিহত হন, যাদের বেশিরভাগই স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী। এই ঘটনাতেই ক্ষোভ আরও বেড়ে যায় এবং মঙ্গলবার সকালে কারফিউ উপেক্ষা করে হাজার হাজার মানুষ রাস্তায় নেমে আসে।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে না আসায় সেনাপ্রধান সরাসরি প্রধানমন্ত্রী ওলিকে পদত্যাগের আহ্বান জানান। পরে তিনি পদত্যাগপত্র জমা দেন। স্থানীয় গণমাধ্যমের খবরে বলা হচ্ছে, ওলি দেশ ছাড়তে পারেন এবং দুবাইয়ে আশ্রয় নেওয়ার চেষ্টা করছেন।

সূত্র: এনডিটিভি