ঢাকা ০৮:২২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ মার্চ ২০২৬, ২১ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

মেঘনা নদী থেকে সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের মরদেহ উদ্ধার

  • নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশের সময় : ০৭:৩৯:২৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২২ অগাস্ট ২০২৫
  • ২৬৮ বার পড়া হয়েছে

সিনিয়র সাংবাদিক ও কলামিস্ট বিভুরঞ্জন সরকারের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। মুন্সিগঞ্জে মেঘনা নদী থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

শুক্রবার (২২ আগস্ট) সন্ধ্যায় এ তথ্য জানান ডিএমপির রমনা বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মাসুদ আলম।

নারায়ণগঞ্জের কলাগাছিয়া নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ (পরিদর্শক) সালেহ আহমেদ পাঠান বলেন, কলাগাছিয়া এলাকায় মেঘনা নদী থেকে একজন বয়স্ক ব্যক্তির মরদেহ ভাসমান অবস্থায় উদ্ধার করে নৌ-পুলিশ। মরদেহের সঙ্গে রমনা থানা এলাকা থেকে নিখোঁজ সাংবাদিকের ছবির মিল রয়েছে। রমনা থানা নিখোঁজ জিডির সঙ্গে যে ছবিটি পাঠিয়েছিল তার সঙ্গে মিলিয়ে দেখার পর বিষয়টি রমনা থানাকে জানানো হয়েছে। ঢাকা থেকে নিখোঁজ সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের পরিবার মুন্সিগঞ্জ সদর হাসপাতালে পৌঁছালে তারা কনফার্ম করতে পারবে।

জানতে চাইলে পুলিশের রমনা বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মাসুদ আলম বলেন, মেঘনা নদীতে একটা মরদেহ পাওয়া গেছে। আমরা মোটামুটি কনফার্ম হয়েছি। তার পরিবার গেলে শনাক্ত করে পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে।

এর আগে, বৃহস্পতিবার সকাল ১০টার দিকে রাজধানীর সিদ্ধেশ্বরীর বাসা থেকে অফিসের উদ্দেশ্যে বের হন বিভুরঞ্জন সরকার। এ ঘটনায় গতকাল রাত ১০টার দিকে রমনা থানায় একটি নিখোঁজের জিডি করা হয়।

বিভুরঞ্জন সরকারের ছেলে ঋত সরকার জানান, বাসা থেকে বের হওয়ার সময় তিনি ভুলে মোবাইল ফোন বাসায় রেখে যান। অফিসে যোগাযোগ করা হলে সেখানেও তিনি যাননি। এখন পর্যন্ত তাকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। এ ঘটনায় গতকাল রাত ১০টার দিকে রমনা থানায় একটি নিখোঁজের জিডি করা হয়েছে।

বিভুরঞ্জন সরকারের জন্ম ১৯৫৪ সালে। ষাটের দশকের শেষ দিকে স্কুলছাত্র থাকাকালেই দৈনিক আজাদ-এর মফস্বল সংবাদদাতা হিসেবে সাংবাদিকতায় তার হাতেখড়ি। লেখাপড়া শেষ করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগ থেকে। বিভিন্ন জাতীয় দৈনিক ও সাপ্তাহিকে কাজ করেছেন। দৈনিক মাতৃভূমি, সাপ্তাহিক চলতিপত্রের সম্পাদক এবং সাপ্তাহিক মৃদুভাষণের নির্বাহী সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেছেন। আশির দশকে এরশাদবিরোধী আন্দোলনের সময় সাপ্তাহিক যায়যায় দিনে ‘তারিখ ইব্রাহিম’ ছদ্মনামে লেখা তার রাজনৈতিক নিবন্ধ যথেষ্ট পাঠকপ্রিয় হয়েছিল।

খবর টি শেয়ার করুন :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Munna Khan

কাঞ্চন পৌরবাসীর প্রত্যাশা—মেয়র হিসেবে দেখতে চান অ্যাডভোকেট আমিরুল ইসলাম ইমনকে

মেঘনা নদী থেকে সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের মরদেহ উদ্ধার

প্রকাশের সময় : ০৭:৩৯:২৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২২ অগাস্ট ২০২৫

সিনিয়র সাংবাদিক ও কলামিস্ট বিভুরঞ্জন সরকারের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। মুন্সিগঞ্জে মেঘনা নদী থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

শুক্রবার (২২ আগস্ট) সন্ধ্যায় এ তথ্য জানান ডিএমপির রমনা বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মাসুদ আলম।

নারায়ণগঞ্জের কলাগাছিয়া নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ (পরিদর্শক) সালেহ আহমেদ পাঠান বলেন, কলাগাছিয়া এলাকায় মেঘনা নদী থেকে একজন বয়স্ক ব্যক্তির মরদেহ ভাসমান অবস্থায় উদ্ধার করে নৌ-পুলিশ। মরদেহের সঙ্গে রমনা থানা এলাকা থেকে নিখোঁজ সাংবাদিকের ছবির মিল রয়েছে। রমনা থানা নিখোঁজ জিডির সঙ্গে যে ছবিটি পাঠিয়েছিল তার সঙ্গে মিলিয়ে দেখার পর বিষয়টি রমনা থানাকে জানানো হয়েছে। ঢাকা থেকে নিখোঁজ সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের পরিবার মুন্সিগঞ্জ সদর হাসপাতালে পৌঁছালে তারা কনফার্ম করতে পারবে।

জানতে চাইলে পুলিশের রমনা বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মাসুদ আলম বলেন, মেঘনা নদীতে একটা মরদেহ পাওয়া গেছে। আমরা মোটামুটি কনফার্ম হয়েছি। তার পরিবার গেলে শনাক্ত করে পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে।

এর আগে, বৃহস্পতিবার সকাল ১০টার দিকে রাজধানীর সিদ্ধেশ্বরীর বাসা থেকে অফিসের উদ্দেশ্যে বের হন বিভুরঞ্জন সরকার। এ ঘটনায় গতকাল রাত ১০টার দিকে রমনা থানায় একটি নিখোঁজের জিডি করা হয়।

বিভুরঞ্জন সরকারের ছেলে ঋত সরকার জানান, বাসা থেকে বের হওয়ার সময় তিনি ভুলে মোবাইল ফোন বাসায় রেখে যান। অফিসে যোগাযোগ করা হলে সেখানেও তিনি যাননি। এখন পর্যন্ত তাকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। এ ঘটনায় গতকাল রাত ১০টার দিকে রমনা থানায় একটি নিখোঁজের জিডি করা হয়েছে।

বিভুরঞ্জন সরকারের জন্ম ১৯৫৪ সালে। ষাটের দশকের শেষ দিকে স্কুলছাত্র থাকাকালেই দৈনিক আজাদ-এর মফস্বল সংবাদদাতা হিসেবে সাংবাদিকতায় তার হাতেখড়ি। লেখাপড়া শেষ করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগ থেকে। বিভিন্ন জাতীয় দৈনিক ও সাপ্তাহিকে কাজ করেছেন। দৈনিক মাতৃভূমি, সাপ্তাহিক চলতিপত্রের সম্পাদক এবং সাপ্তাহিক মৃদুভাষণের নির্বাহী সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেছেন। আশির দশকে এরশাদবিরোধী আন্দোলনের সময় সাপ্তাহিক যায়যায় দিনে ‘তারিখ ইব্রাহিম’ ছদ্মনামে লেখা তার রাজনৈতিক নিবন্ধ যথেষ্ট পাঠকপ্রিয় হয়েছিল।