ঢাকা ০২:২৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৫ ডিসেম্বর ২০২৫, ২০ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ট্রাম্পের ৪৬ কোটি ডলার জরিমানা বাতিল করল মার্কিন আদালত

যুক্তরাষ্ট্রের একটি আপিল আদালত সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ওপর আরোপিত প্রায় ৪৬৪ মিলিয়ন ডলারের (বাংলাদেশি টাকায় প্রায় ৪৬ কোটি ডলার) দেওয়ানি জরিমানা বাতিল করেছেন। আদালত জরিমানাটিকে ‘অতিরিক্ত’ আখ্যা দিয়ে তা বাতিল করলেও ট্রাম্পের বিরুদ্ধে দেওয়া দণ্ড বহাল রেখেছেন।

২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে নিউইয়র্কের বিচারক আর্থার এঙ্গোরন রায়ে বলেছিলেন, ট্রাম্প ও তার প্রতিষ্ঠান বেআইনিভাবে সম্পদের মূল্য বাড়িয়ে দেখিয়ে ব্যাংকঋণ ও বীমার সুবিধা নিয়েছে। এজন্য ট্রাম্পকে জরিমানা ও তিন বছরের জন্য ব্যবসা পরিচালনা থেকে নিষিদ্ধ করা হয়। একই মামলায় তার দুই ছেলে এরিক ও ডন জুনিয়রকেও চার মিলিয়ন ডলারের বেশি জরিমানা দিতে বলা হয়েছিল।

তবে আপিল আদালত বৃহস্পতিবার জানায়, এত বড় অঙ্কের জরিমানা মার্কিন সংবিধানের অষ্টম সংশোধনী লঙ্ঘন করে, তাই এটি বহাল রাখা যাবে না।

মামলাটি করেছিলেন নিউইয়র্কের অ্যাটর্নি জেনারেল লেটিশিয়া জেমস। তিনি চাইলে অঙ্গরাজ্যের সর্বোচ্চ আদালত—নিউইয়র্ক কোর্ট অব আপিলসে যেতে পারবেন।

রায়ের পর ট্রাম্পপুত্র ডন জুনিয়র এক্সে লিখেছেন, “এটি একটি বড় জয়। সব সময়ই এটি ছিল রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলা, একটি উইচ হান্ট। এমনকি নিউইয়র্কের বামঘেঁষা আপিল আদালতও সেটি স্বীকার করেছে।”

ট্রাম্প নিজেও বরাবরই এ মামলাকে ‘রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বীকে দমন করার ষড়যন্ত্র’ বলে দাবি করেছেন। তিনি অভিযোগ করেন, তৎকালীন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনই মামলাটি চালাচ্ছেন, কারণ জরিপে তিনি এগিয়ে ছিলেন।

উল্লেখ্য, এটি একটি দেওয়ানি মামলা হওয়ায় ট্রাম্পের কারাদণ্ডের ঝুঁকি ছিল না।

খবর টি শেয়ার করুন :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Munna Khan

জামালপুরে জেলা দলিল লেখক সমিতির সভাপতির বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন।

ট্রাম্পের ৪৬ কোটি ডলার জরিমানা বাতিল করল মার্কিন আদালত

প্রকাশের সময় : ১০:৩৪:৩২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ অগাস্ট ২০২৫

যুক্তরাষ্ট্রের একটি আপিল আদালত সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ওপর আরোপিত প্রায় ৪৬৪ মিলিয়ন ডলারের (বাংলাদেশি টাকায় প্রায় ৪৬ কোটি ডলার) দেওয়ানি জরিমানা বাতিল করেছেন। আদালত জরিমানাটিকে ‘অতিরিক্ত’ আখ্যা দিয়ে তা বাতিল করলেও ট্রাম্পের বিরুদ্ধে দেওয়া দণ্ড বহাল রেখেছেন।

২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে নিউইয়র্কের বিচারক আর্থার এঙ্গোরন রায়ে বলেছিলেন, ট্রাম্প ও তার প্রতিষ্ঠান বেআইনিভাবে সম্পদের মূল্য বাড়িয়ে দেখিয়ে ব্যাংকঋণ ও বীমার সুবিধা নিয়েছে। এজন্য ট্রাম্পকে জরিমানা ও তিন বছরের জন্য ব্যবসা পরিচালনা থেকে নিষিদ্ধ করা হয়। একই মামলায় তার দুই ছেলে এরিক ও ডন জুনিয়রকেও চার মিলিয়ন ডলারের বেশি জরিমানা দিতে বলা হয়েছিল।

তবে আপিল আদালত বৃহস্পতিবার জানায়, এত বড় অঙ্কের জরিমানা মার্কিন সংবিধানের অষ্টম সংশোধনী লঙ্ঘন করে, তাই এটি বহাল রাখা যাবে না।

মামলাটি করেছিলেন নিউইয়র্কের অ্যাটর্নি জেনারেল লেটিশিয়া জেমস। তিনি চাইলে অঙ্গরাজ্যের সর্বোচ্চ আদালত—নিউইয়র্ক কোর্ট অব আপিলসে যেতে পারবেন।

রায়ের পর ট্রাম্পপুত্র ডন জুনিয়র এক্সে লিখেছেন, “এটি একটি বড় জয়। সব সময়ই এটি ছিল রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলা, একটি উইচ হান্ট। এমনকি নিউইয়র্কের বামঘেঁষা আপিল আদালতও সেটি স্বীকার করেছে।”

ট্রাম্প নিজেও বরাবরই এ মামলাকে ‘রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বীকে দমন করার ষড়যন্ত্র’ বলে দাবি করেছেন। তিনি অভিযোগ করেন, তৎকালীন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনই মামলাটি চালাচ্ছেন, কারণ জরিপে তিনি এগিয়ে ছিলেন।

উল্লেখ্য, এটি একটি দেওয়ানি মামলা হওয়ায় ট্রাম্পের কারাদণ্ডের ঝুঁকি ছিল না।