আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে জামালপুর-১ (দেওয়ানগঞ্জ-বকশীগঞ্জ) আসনে ১১ দলীয় জোটের পক্ষে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী মৌওলানা অ্যাডভোকেট নাজমুল হক সাইদীর পক্ষে বিশাল নির্বাচনী গণমিছিল হয়েছে। এ কারনে দুপুর থেকে বকশীগঞ্জ পৌর শহর লোকে লোকারন্য হয়ে যায়।
০৯ ফেব্রুয়ারি (সোমবার) বিকেলে বকশীগঞ্জ নুর মোহাম্মদ উচ্চ বিদ্যালয় থেকে মিছিলটি শুরু হয়ে পৌর শহরে প্রধান প্রধান শড়ক প্রদক্ষিণ করে খাতেমুন মঈন মহিলা ডিগ্রী কলেজে গিয়ে সমাপ্তি হয় পরে সেখানে ১১ দলীয় জোটের পক্ষ থেকে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ করেন।
এর আগে দুপুর থেকে জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীরা দাঁড়িপাল্লার ব্যানার, ফেস্টুন ও প্ল্যাকার্ড হাতে হাই স্কুল মাঠে সমবেত হতে থাকে। মুহূর্তের জনসমুদ্রে পরিণত হয় হাই স্কুল মাঠ। জামায়াত দলীয় প্রার্থী অ্যাডভোকেট নাজমুল হক সাঈদীর ইমামতিতে নেতাকর্মীরা আসরের নামাজ আদায় করেন। পরে জামায়াত মনোনীত প্রার্থী অ্যাডভোকেট নাজমুল হক সাঈদীর উপস্থিতিতে বিশাল নির্বাচনী গণমিছিলটি শুরু হয়ে পৌর শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে খাতেমুন মঈন মহিলা ডিগ্রি কলেজে গিয়ে শেষ হয়।
এ সময় মিছিলে উপজেলা জামায়াতের আমীর শফিকুল্লাহ মাস্টার, সেক্রেটারী মাওলানা আদেল ইবনে আওয়াল, জামালপু-১ আসনের প্রধান নির্বাচনী এজেন্ট, এড, ইলিয়াস হোসাইন, এনসিপির আহ্বায়ক, অধ্যাপক মোসাদ্দেকুর রহমান মানিক, এনসিপির কেন্দ্রীয় সদস্য মশিউর আমিন শুভ, জাতীয় যুবশক্তির কেন্দ্রীয় সংগঠক, মোসাদ্দেকুর রহমান, পৌর জামায়াতের আমির আব্দুল মতিন, সেক্রেটারি মাওলানা রাশেদুল ইসলাম রাশেদী, মেরুরচর ইউনিয়ন জামায়াতের আমীর মৌওলানা মিজানুর রহমান, উপজেলা যুব বিভাগের সভাপতি কারিমুল ইসলামসহ সাত ইউনিয়নের জামায়াতের আমীর ও বিপুল সংখ্যক জামায়াতের নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।
মিছিলে নারায়ে তাকবীর আল্লাহু আকবার, এসো গড়ি একসাথে নতুন বাংলাদেশ স্লোগানে মুখরিত হয়ে ওঠে তাছাড়া দলীয় প্রতিক দাঁড়িপাল্লার ব্যানার, ফেস্টুন ও প্ল্যাকার্ড বহন করতে দেখা যায়। তাছাড়া মিছিল থেকে ইসলামী মূল্যবোধের রাজনীতি, সুশাসন, ন্যায়বিচার ও দুর্নীতিমুক্ত সমাজ গঠনের দাবিতেও বিভিন্ন স্লোগান শোনা যায়।
গণমিছিল শেষে খাতেমুন মঈন মহিলা ডিগ্রি কলেজে একটি সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এতে বক্তব্য রাখেন জামায়াতে ইসলামীর ও ১১ দলীয়ও জোটের মনোনীত প্রার্থী অ্যাডভোকেট নাজমুল হক সাঈদী।
তিনি প্রত্যেক পাড়ামহল্লায় নেতাকর্মীদের পাহারা বসানোর জন্য বলেন যাতে করে দুর্নীতিবাজরা বাংলাদেশের শত্রুরা যারা দাঁড়িপাল্লা কে বিজয়ী দেখতে চায় না তারা টাকা দিয়ে নির্বাচনের পরিবেশ নষ্ট করতে না পারে। নির্বাচন পরিবেশ নষ্টের এই ষড়যন্ত্রকে আমরা প্রতিহত করব। টাকা দিয়ে নির্বাচনের প্রভাব বিস্তারকারী কে প্রশাসনের কাছে তুলে দেয়ার জন্য নেতাকর্মীদের আদেশ দেন। তিনি আরও বলেন আগামী ১২ তারিখ দাড়ীপাল্লার বিজয় হবে। দাড়ীপাল্লার বিজয় হলে সত্যের বিজয় হবে। দুনীতিবাজদের পরাজয় হবে। এ সময় তিনি ন্যায় ও ইনসাফের প্রতীক দাঁড়িপাল্লার পক্ষে সকলকে কাজ করার আহ্বান জানান।
মোয়াজ্জেম হোসেন হিলারী, নিজস্ব প্রতিনিধি 













