সুন্দরগঞ্জে লোকদেখানো নিলামের নামে রাস্তার গাছ কেটে হরিনুট


Sokal Pratidin প্রকাশের সময় : ১১/০৩/২০২৩, ৪:২৫ অপরাহ্ণ /
সুন্দরগঞ্জে লোকদেখানো নিলামের নামে রাস্তার গাছ কেটে হরিনুট

 বিদ্যুৎ চন্দ্র বর্মন, স্টাফ রিপোর্টারঃ গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় সরকারি নিয়ম রাস্তার মরা মাথাভাঙ্গা ও হেলেপড়া গাছ নিলাম হলেও বাদ পরছেনা কোন গাছ। নিলামকৃত গাছ ছাড়াও কাটা পরছে শতবর্ষী ফলজ গাছ গুলোও চোঁখে দেখেও নিরব থাকছে সমাজিক বন বিভাগের কর্মকর্তা কর্মচারীরা। গাছ কাটার হরিনুট বইছে এলাকায়। নিলাম সূত্রে জানাযায়, গত ১০ জানুয়ারী ২০২৩ তারিখে উপজেলার তারাপুর ইউনিয়নের ২ নং ওয়ার্ডের বালাপাড়া হতে কালিডাঙ্গা মাঝিপাড়া মোর পযন্ত ২ কিঃ মিঃ রাস্তায় ২০০৬ সালের সৃজিত স্ট্রিপ সংযোগ সড়কে বিভিন্ন প্রজাতির ১১৩ টি গাছ কর্তনের নিলামে বিক্রয় করা হয়। এতে উল্লেখ থাকে ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের মজিবরের দোকান হতে আবুলের দোকান ও কালিডাঙ্গা মাঝিপাড়া মোর হতে বালাপাড়া মোর পযন্ত ২ কিলোমিটার রাস্তার মোট ১৮৮ টি গাছের মর্ধে ১১৩ টি মরা মাথাভাঙ্গা বাকা ও হেলেপড়া গাছ অপসারণের জন্য। তবে টিকাদার নিলাম নিয়মের তোয়াক্কা না করে তারপুর ইউনিয়নের বাহীরে পৌরসভার ১ নং ওয়ার্ডের বালাপাড়া মাঠের পার হতে খয়বারের দোকান ও বালাপাড়া মোর হতে পৌরসভার সিমান্ত ১ কিলোমিটার রাস্তার শতবর্ষী আম গাছসহ বিভিন্ন প্রজাতির গাছ কেটে হরিনুট করার অভিযোগ পৌরসভার স্থানীয়দের। এদিকে দেখেও না দেখার ভান করছে বন বিভাগের কর্মকতা। ঠিকাদার প্রভাবশালী হওয়ায় নাম প্রকাশে অনইচ্ছুক স্থানীয়রা জানান, বালাপাড়ার মাঠে পরে শতবশর্ষী আম গাছ গুলো কাটার সময় ঠিকাদারের কাছে জানতে চাইলে ঠিকাদার আমাদের গাছ নিলামে ক্রয়ের কথা বলেন। গাছ গুলো কাটার সাথেসাথে গাছে মূল শিকর তুলে গাছ গুলি সরিয়ে নিয়ে যায়। আমরা পৌরসভার মেয়রকে ফোনে অবগত করলে তিনি কিছুই জানেননা বলে আমাদের জানান। তবে এই গাছের আম গুলো আমরা প্রায় ৩০ বছর বলতে ছোটবেলা থেকে মহল্লার সবাই পেরে খাইতাম। অনেক বলার পরও তারা নিলাম নিয়েছে বলে কেটে নিয়ে গেলো। এখন থেকে আমাদের হয়তো বাজারে আম কিনে খেতে হবে। সুুন্দরগঞ্জ পৌরসভার মেয়র আব্দুর রশিদ রেজা সরকার ডাবলু জানান, আমাকে অবগত না করে পৌরসাভার গাছ গুলো কাটা হয়েছে। তবে আমি এবিষয়ে বন বিভাগের সাথে কথা বলেছি তারা বিষয়টি তদন্ত করে দেখবেন বলে জানান। উপজেলা সামাজিক বন কর্মকতা মেহেদী হাসান বলেন, ঠিকাদারের সাথে কথা বলে মিট করেন এ কথাবলে কর্মকর্তা ঠিকাদার কে ফোন দিয়ে কথা বলতে বলেন। এবং তিনি আরও বলেন গাছে নাম্বার করে আমরা নিলাম কমিটি’র মার্ধমে ১১৩ টি গাছ নিলাম করি। গাছ অপসারণের সময় দুই একটা এদিক সেদিক হতে পারে। ঠিকাদার রুহুল আমিন হিরু’র সাথে কথা হলে তিনি জানান, ১১৩ টি গাছ আমি নিলামে ক্রয়করি গাছ কাটতে গিয়ে সেখানে ৮৭ টি গাছ পাই পরে বন বিভাগের সাথে কথা হলে তিনি রাস্তার কাজ চলমান তাই রাস্তা অপসারণের জন্য এসব গাছ কাটারও কথা বলেন। এবিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ আল মারুফ জানান, রাস্তা অপসারণের জন্য নাম্বার করে ১১৩ টি গাছ নিলামে বিক্রয় করা হয়। তবে নাম্বার কৃত গাছের বাহীরে গাছ কাটা হলে তা তদন্তসম্পকে আমরা আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করবো।