ঢাকা ১২:৩৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৬ ডিসেম্বর ২০২৫, ২২ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সিদ্ধিরগঞ্জে অপহরণ করে নিয়ে রাতভর ধর্ষণ

  • প্রতিবেদক এর নাম
  • প্রকাশের সময় : ০৯:১৯:২৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৫
  • ৪৫৮ বার পড়া হয়েছে

। নারায়ণগঞ্জ সদর থানার হাজীগঞ্জ এম সার্কাস এলাকার মৃত আব্দুল মতিন মিয়ার ছেলে লুচ্চা মজিবর (৫৭) নামে সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় একটি অপহরণের অভিযোগ দায়ের করেছেন ভুক্তভগীর পরিবার । অভিযোগে উল্লেখ করা হয় কাকুলী আক্তার (২৭) স্বামী প্রবাস থাকায় তার দুই কন্যা সন্তান নিয়ে হাজীগঞ্জ এম সার্কাস এলাকায় মজিবুরের বাড়িতে ভাড়া থাকতেন। সেই সুবাদে মজিবুর তাকে দীর্ঘদিন যাবত কুপ্রস্তাব দিয়ে আর্সছে। শুধু তাই নয় মোটা অংকের অর্থের লোভ দেখিয়ে ও রাজি করাতে পারেনি। অবশেষে গত ১০ আগষ্ট বাচ্চাদের জন্য বই কিনতে গেলে অপহরণ করে নিয়ে যায়। কোথাও খোজাখুঁজি করে না পেলে নারায়ণগঞ্জ কোর্টে একটি নারীও শিশু নির্যাতন মামলা দায়ের করা হয় যার নং ৪০০/২৫ পরে তিনদিন পর বন্দর কদম রসূল কলেজ সংলগ্ন স্থানে ফেলে রেখে যায়। পরবর্তীতে এই মামলার তদন্ত পিবিআই গ্রহন করলে, মা ও মেয়ে সাক্ষ্য দিতে যাওয়ার পথে গত ২৭ আগষ্ট বুধবার দুপুরে সিদ্ধিরগঞ্জ, জালকুড়ি এলাকায় ফিল্ম স্টাইলে রাস্তা আটকিয়ে দেশীয় অস্র দেখিয়ে নগদ ২৫০০০ হাজার টাকা, ৮ আনি ওজনের স্বর্ণালংকার সহ মেয়ে কাকুলীকে ছিনিয়ে নিয়ে যায়। অভিযোগে আরো বলা হয়েছে যে মেয়ের মা জিয়াসমিন বাধাঁ প্রদান করলে কিল-ঘুষি লাথি মারিয়া অজ্ঞান করে রেখে চলে যায়। পরে আশেপাশে লোকজন দেখলে খানপুর ৩০০ শর্য্য হাসপাতালে ভর্তি করান। এখনো পর্যন্ত মেয়ের কোন সন্ধান মেলেনি। পরে সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় জিয়াসমিন আক্তার বাদী হয়ে একটি অভিযোগ দায়ের করেন। স্থানীয় সূত্র জানা গেছে, মজিবুর এম সার্কাসের কেউ না। কুমিল্লা থেকে এসে চুরি, ছিনতাই করে এখানে একটি বাড়ি নির্মাণ করে। মূলত সে একজন ট্রাক ড্রাইভার। বর্তমানে তার দাড়ি টুপি লাগিয়ে বেশভূষা থাকলেও সে নারীর প্রতি লোভী। এর আগেও একাধিক মহিলাদের সাথে এমন ঘটনা ঘটিয়েছে। এলাকার মানুষ ভালো তাই কিছু বলেনা। কিন্তু সে নিজে থেকেই সংশোধন হয়নি। নাম বলতে অনিচ্ছুক জৈনক জানান মজিবুর এলাকার অধিকাংশ মহিলাদের সাথে পরকীয়ায় লিপ্ত, তার ভিডিও ও ছবি অনেকের কাছেই আছে। পুলিশ প্রশাসনের কাছে একটাই দাবি এধরনের কুলাঙ্গারদের বিরুদ্ধে সঠিক পদক্ষেপ নিন। এবিষয়ে মেয়ের বাবা আব্দুল কাদির জানান আমার মেয়েকে বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি দেখিয়ে ট্রাই করছে কিছুই করতে পারে নাই। পরে অপহরণ করে নিয়ে গেছে। আমি র্যাব ১১ অফিসেও অভিযোগ করে এসেছি। আমি পুলিশ প্রশাসনের কাছে এর উপযুক্ত বিচার চাই। আর কুলাঙ্গার মজিবুরকে দ্রত গ্রেফতার দেখতে চাই।

খবর টি শেয়ার করুন :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Munna Khan

রূপগঞ্জের হোড়গাঁওয়ে মাদক কারবারি ও ভূমিদস্যুদের বিরুদ্ধে গ্রামবাসীর মানববন্ধন

সিদ্ধিরগঞ্জে অপহরণ করে নিয়ে রাতভর ধর্ষণ

প্রকাশের সময় : ০৯:১৯:২৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৫

। নারায়ণগঞ্জ সদর থানার হাজীগঞ্জ এম সার্কাস এলাকার মৃত আব্দুল মতিন মিয়ার ছেলে লুচ্চা মজিবর (৫৭) নামে সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় একটি অপহরণের অভিযোগ দায়ের করেছেন ভুক্তভগীর পরিবার । অভিযোগে উল্লেখ করা হয় কাকুলী আক্তার (২৭) স্বামী প্রবাস থাকায় তার দুই কন্যা সন্তান নিয়ে হাজীগঞ্জ এম সার্কাস এলাকায় মজিবুরের বাড়িতে ভাড়া থাকতেন। সেই সুবাদে মজিবুর তাকে দীর্ঘদিন যাবত কুপ্রস্তাব দিয়ে আর্সছে। শুধু তাই নয় মোটা অংকের অর্থের লোভ দেখিয়ে ও রাজি করাতে পারেনি। অবশেষে গত ১০ আগষ্ট বাচ্চাদের জন্য বই কিনতে গেলে অপহরণ করে নিয়ে যায়। কোথাও খোজাখুঁজি করে না পেলে নারায়ণগঞ্জ কোর্টে একটি নারীও শিশু নির্যাতন মামলা দায়ের করা হয় যার নং ৪০০/২৫ পরে তিনদিন পর বন্দর কদম রসূল কলেজ সংলগ্ন স্থানে ফেলে রেখে যায়। পরবর্তীতে এই মামলার তদন্ত পিবিআই গ্রহন করলে, মা ও মেয়ে সাক্ষ্য দিতে যাওয়ার পথে গত ২৭ আগষ্ট বুধবার দুপুরে সিদ্ধিরগঞ্জ, জালকুড়ি এলাকায় ফিল্ম স্টাইলে রাস্তা আটকিয়ে দেশীয় অস্র দেখিয়ে নগদ ২৫০০০ হাজার টাকা, ৮ আনি ওজনের স্বর্ণালংকার সহ মেয়ে কাকুলীকে ছিনিয়ে নিয়ে যায়। অভিযোগে আরো বলা হয়েছে যে মেয়ের মা জিয়াসমিন বাধাঁ প্রদান করলে কিল-ঘুষি লাথি মারিয়া অজ্ঞান করে রেখে চলে যায়। পরে আশেপাশে লোকজন দেখলে খানপুর ৩০০ শর্য্য হাসপাতালে ভর্তি করান। এখনো পর্যন্ত মেয়ের কোন সন্ধান মেলেনি। পরে সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় জিয়াসমিন আক্তার বাদী হয়ে একটি অভিযোগ দায়ের করেন। স্থানীয় সূত্র জানা গেছে, মজিবুর এম সার্কাসের কেউ না। কুমিল্লা থেকে এসে চুরি, ছিনতাই করে এখানে একটি বাড়ি নির্মাণ করে। মূলত সে একজন ট্রাক ড্রাইভার। বর্তমানে তার দাড়ি টুপি লাগিয়ে বেশভূষা থাকলেও সে নারীর প্রতি লোভী। এর আগেও একাধিক মহিলাদের সাথে এমন ঘটনা ঘটিয়েছে। এলাকার মানুষ ভালো তাই কিছু বলেনা। কিন্তু সে নিজে থেকেই সংশোধন হয়নি। নাম বলতে অনিচ্ছুক জৈনক জানান মজিবুর এলাকার অধিকাংশ মহিলাদের সাথে পরকীয়ায় লিপ্ত, তার ভিডিও ও ছবি অনেকের কাছেই আছে। পুলিশ প্রশাসনের কাছে একটাই দাবি এধরনের কুলাঙ্গারদের বিরুদ্ধে সঠিক পদক্ষেপ নিন। এবিষয়ে মেয়ের বাবা আব্দুল কাদির জানান আমার মেয়েকে বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি দেখিয়ে ট্রাই করছে কিছুই করতে পারে নাই। পরে অপহরণ করে নিয়ে গেছে। আমি র্যাব ১১ অফিসেও অভিযোগ করে এসেছি। আমি পুলিশ প্রশাসনের কাছে এর উপযুক্ত বিচার চাই। আর কুলাঙ্গার মজিবুরকে দ্রত গ্রেফতার দেখতে চাই।