ঢাকা ০৭:৪৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬, ৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

যশোরে বিএনপি নেতা আলমগীর হত্যায় জামাই পরশসহ দুইজন আটক

যশোরে বিএনপি নেতা আলমগীর হোসেন হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় তার জামাই বাসেদ আলী পরশ ও আমিনুল ইসলাম সাগরকে আটক করেছে পুলিশ। রোববার (৪ জানুয়ারি) দুপুর সাড়ে ১২টায় যশোর কোতোয়ালি থানায় আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার সৈয়দ রফিকুল ইসলাম এ তথ্য জানান।

পুলিশ সুপার জানান, আলমগীর হোসেনের সম্পত্তি ও গাড়ির প্রতি লোভ এবং শ্বশুরের মেয়ের প্রতি দীর্ঘদিনের ব্যক্তিগত ক্ষোভ থেকে জামাই পরশ এই হত্যাকাণ্ডের পরিকল্পনা করেন। অন্যদিকে, আমিনুল ইসলাম সাগরের সঙ্গেও আলমগীর হোসেনের দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এসব কারণেই দুজন মিলে পূর্বপরিকল্পিতভাবে ভাড়াটে খুনির মাধ্যমে হত্যাকাণ্ড সংঘটিত করেন। তবে আটক দুজন সরাসরি হত্যাকাণ্ডে অংশ নেননি বলে জানান তিনি।

এ ঘটনায় কোতোয়ালি থানায় বাসেদ আলী পরশ ও আমিনুল ইসলাম সাগরসহ অজ্ঞাতনামা আরও ৪–৫ জনের বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। আটক আসামিদের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করলে হত্যাকাণ্ডের আরও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া যাবে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

উল্লেখ্য, গত শনিবার সন্ধ্যায় যশোর শহরের শংকরপুর এলাকায় মোটরসাইকেলে করে যাওয়ার সময় পাশ থেকে আসা আরেকটি মোটরসাইকেলে থাকা সন্ত্রাসীরা আলমগীর হোসেনকে মাথায় গুলি করে পালিয়ে যায়। পরে কোতোয়ালি থানা পুলিশ ও ডিবি পুলিশের যৌথ অভিযানে মূল আসামিসহ সংশ্লিষ্টদের আটক করা হয়। এ ঘটনায় পুলিশের অভিযান এখনও অব্যাহত রয়েছে।

খবর টি শেয়ার করুন :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Munna Khan

সর্বাধিক পঠিত

নাটোর-৪ আসনে ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদ থেকে নির্বাচনী প্রচারণায় দায়িত্ব পেলেন কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সাবেক সদস্য মোঃ হাফিজুর রহমান।

যশোরে বিএনপি নেতা আলমগীর হত্যায় জামাই পরশসহ দুইজন আটক

প্রকাশের সময় : ০৭:২১:৪৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ জানুয়ারী ২০২৬

যশোরে বিএনপি নেতা আলমগীর হোসেন হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় তার জামাই বাসেদ আলী পরশ ও আমিনুল ইসলাম সাগরকে আটক করেছে পুলিশ। রোববার (৪ জানুয়ারি) দুপুর সাড়ে ১২টায় যশোর কোতোয়ালি থানায় আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার সৈয়দ রফিকুল ইসলাম এ তথ্য জানান।

পুলিশ সুপার জানান, আলমগীর হোসেনের সম্পত্তি ও গাড়ির প্রতি লোভ এবং শ্বশুরের মেয়ের প্রতি দীর্ঘদিনের ব্যক্তিগত ক্ষোভ থেকে জামাই পরশ এই হত্যাকাণ্ডের পরিকল্পনা করেন। অন্যদিকে, আমিনুল ইসলাম সাগরের সঙ্গেও আলমগীর হোসেনের দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এসব কারণেই দুজন মিলে পূর্বপরিকল্পিতভাবে ভাড়াটে খুনির মাধ্যমে হত্যাকাণ্ড সংঘটিত করেন। তবে আটক দুজন সরাসরি হত্যাকাণ্ডে অংশ নেননি বলে জানান তিনি।

এ ঘটনায় কোতোয়ালি থানায় বাসেদ আলী পরশ ও আমিনুল ইসলাম সাগরসহ অজ্ঞাতনামা আরও ৪–৫ জনের বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। আটক আসামিদের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করলে হত্যাকাণ্ডের আরও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া যাবে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

উল্লেখ্য, গত শনিবার সন্ধ্যায় যশোর শহরের শংকরপুর এলাকায় মোটরসাইকেলে করে যাওয়ার সময় পাশ থেকে আসা আরেকটি মোটরসাইকেলে থাকা সন্ত্রাসীরা আলমগীর হোসেনকে মাথায় গুলি করে পালিয়ে যায়। পরে কোতোয়ালি থানা পুলিশ ও ডিবি পুলিশের যৌথ অভিযানে মূল আসামিসহ সংশ্লিষ্টদের আটক করা হয়। এ ঘটনায় পুলিশের অভিযান এখনও অব্যাহত রয়েছে।