সোনারগাঁও উপজেলার মোগড়াপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সেক্রেটারি আতাউর রহমানকে নিয়ে অপপ্রচার চালিয়ে মানহানি ও খুন করার হুমকি দেয়ায় ভেজাইল্যা সুলতান মাহমুদ কে আসামী করে লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। গত ১৬ জুন সোমবার রাতে এই অভিযোগ দায়ের করা হয় এবং তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে পুলিশ জানায়।
লিখিত অভিযোগে জানা যায়, সোনারগাঁও বৈদ্যার বাজার হাড়িয়া গ্রামের মৃত চান মিয়ার কুখ্যাত ছেলে সুলতান মাহমুদ নানা অপরাধমুলক কর্মকান্ডের সাথে জড়িত। বিশেষ করে চাঁদাবাজীর জন্য ব্লাকমেইল ও মামলা বানিজ্যের মাধ্যমে মানুষ কে হয়রানি করে থাকে। কেউ চাঁদা না দিলে, তখন তার বিরুদ্ধে ফেসবুক ও হোয়াটসঅ্যাপ সহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মিথ্যা বানোয়াট তথ্য পরিবেশন করে অপপ্রচার চালিয়ে হয়রানি ও ক্ষতিগ্রস্থ করে। গত ৬ মে দুপুর সাড়ে ১২ টায় সুলতান মাহমুদ বাদীর মোবাইলে ভয়ভীতি প্রদর্শন করে চাঁদা চায় এবং তার বিরুদ্ধে নারায়ণগঞ্জ আদালতে দায়ের করা পিটিশন মামলা ৩৭৯/২৪ তুলে নিতে বলে। সুলতানের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলা তুলে না নিলে খুন জখম করার হুমকি দেয় এবং তার অবৈধ অনিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল দপ্তর বার্তা এবং সময়ের চিন্তায় মিথ্যা তথ্য পরিবেশন করে সংবাদ প্রকাশ করে। যার ফলে সোনারগাঁও থানায় একটি জিডি করা হয়।যার নং ৭১৬। আরো জানা যায়, সুলতান মাহমুদ সোনারগাঁও উপজেলায় এক কুলাঙ্গার হিসেবে পরিচিত এবং বিভিন্ন ভুক্তভোগী মানুষ তাকে খুঁজে বেড়াচ্ছে। এদিকে সুলতান মাহমুদ নিজেকে আড়াল করতে নারায়ণগঞ্জ শহরের ৪ থেকে ৫ টি ঠিকানা ব্যবহার করে। আর শহরের মানুষদেরও অতিষ্ঠ করে তুলেছে। বিভিন্ন মানুষ কে টার্গেট করে নারী দিয়ে ব্লাক মেইল এবং মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো সহ প্রতারণা করে মোটা অংকের টাকা আদায় করে নিচ্ছে। বেশ কয়েকবার জেলও খেটেছে এই চিহ্নিত প্রতারক সুলতান। তারপরও শিক্ষা হয়নি। তার বিরুদ্ধে অভিযোগের শেষ নেই কিন্তু পুলিশ প্রশাসন বর্তমানে তেমন কোন ব্যবস্থা নিচ্ছে না। যার ফলে সুলতানের অপরাধ বেড়ে গেছে। এ ব্যাপারে পুলিশ প্রশাসনের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করছে ক্ষতিগ্রস্থ ব্যক্তি।
স্টাফ রিপোর্টার: 















