বন্দর ধামগড়ে জমি সংক্রান্ত বিষয়ে দু-পক্ষের সংঘর্ষে জমির মালিক মোফাজ্জল হোসেন গুরুতর আহত


Munna প্রকাশের সময় : ০৯/০৯/২০২৩, ১০:১০ পূর্বাহ্ণ /
বন্দর ধামগড়ে জমি সংক্রান্ত বিষয়ে দু-পক্ষের সংঘর্ষে জমির মালিক মোফাজ্জল হোসেন গুরুতর আহত

স্টাফ রিপোর্টারঃ বন্দর উপজেলা ধামগড় ইউনিয়নের ৭ নং ওয়ার্ড সেনেরবাড়ী এলাকায় গত ৫ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার সন্ধায় জমি সংক্রান্ত বিষয়ে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ জমির মালিক মোফাজ্জল হোসেন(হর্লেন্ড) গুরুতর আহত।অভিযোগ সূত্রে জানা যায় মোফাজ্জল হোসেন( হর্লেন্ড) বন্দর থানাধীন ধামগড় মৌজাস্থিত ০.০৯২৫ একর শতাংশ জমির পৈতৃক মালিক যার এস এস দাগ নং -৪১৭ আর এস -২৮২।উক্ত জমি বিবাদীগন জোরপূর্বক দখল করে স্থাপনা নির্মাণ করে অবৈধভাবে ভোগ দখল করছে যা সম্পূর্ণ অন্যায়। এ নিয়ে পৈতৃক জমির মালিক মোফাজ্জল হোসেন( হর্লেন্স) জমি দাবি করতে গেলে বিবাদীর ছেলে ফারুক হোসেন (২৮) তাদের পক্ষ নিয়ে জমি সংক্রান্ত মামলা দায়ের করেন। যাহার মোকদ্দমা নং ১৮৭/২২৩। বিষয়টি আদালত পর্যন্ত গড়ালে আদালতের রায়ে সকল প্রকার কর্মকাণ্ড বন্ধ রাখিতে বললে বিবাদীগন ক্ষিপ্ত হয়ে আমার নিকট ২০ লক্ষ টাকা দাবি করেন অন্যথায় জমি তাদের নামে লিখে দিতে হুমকি প্রদান করেন।অভিযোগ সূত্রে জানা যায় যে এর জেরে ক্ষিপ্ত হয়ে আমার বাবা মোফাজ্জল হোসেন (হর্লেন্ড) ও আমার স্বামী মো ফজলে রাব্বিকে পরিকল্পিত ভাবে একদল ভাড়াটিয়ে সন্ত্রাসী বাহিনী নিয়ে অতর্কিত হামলা করে। এতে আমার বাবা মোফাজ্জল হোসেন (হর্লেন্ড) মাথায় আঘাত পেলে জ্ঞান হারিয়ে ফেলে সাথে সাথে বন্দর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নিয়ে যাই। আর আমার স্বামী ও আমাকে এলোপাতাড়ি কিল, ঘুশি দিয়ে নীলা ফোলা যখম করে সামু মাদবরের ছেলে নজরুলের নেতৃত্বে একদল ভাড়াটিয়া সন্ত্রাসী বাহিনী। পরে আমাদের ডাক চিৎকার শোনে আশেপাশে লোকজন আসলে আমাদের উদ্ধার করে উপজেলা হাসপাতালে ভর্তি করান, এবিষয়ে বন্দর থানায় সামু মাদবরের ছেলে নজরুল (৬০) কে প্রধান আসামী করে নুরজাহান(৫৫) স্বামী মৃত তাওলাদ হোসেন, হাজী মঞ্জু( ৫৭) পিতা সোনামিয়া মেম্বার, মো আলম (৪০) পিতা নুরুল, জহিরুল পিতা সামু মাদবর, রানা পিতা সাহালম ও ৩/৪ জনকে অজ্ঞাত রেখে মামলা দায়ের করা হয়েছে।এবিষয়ে এলাকাবাসী বলেন আমরা বিষয়টি ২০০৪ সাল থেকে দেখতেছি মোফাজ্জল হোসেন (হর্লেন্ড) এর দুইটি মেয়ে আর ওনার নয় ভাই ও তাদের পরিবারের ছেলেদের সাথে নিয়ে তাদের উপর অমানবিক নিষ্ঠুর নির্যাতন করে আর্সছে যা সম্পূর্ন অন্যায় আমার একাধিক বার বাধা দিলেও তাদের পেশিশক্তির প্রভাবে কিছুই করতে পারিনা। বিচার শালীশ ও তেমন কোন আশানুরূপ রেজাল্ট আসেনা।এবিষয়ে জানতে বন্দর থানা অফিসার ইনচার্জ আবু বক্কর সিদ্দিক কে মুঠোফোনে কল দিলে তিনি দু’পক্ষকেই হুশিয়ার হতে বলেন জমির বিষয়টি আইন আদালত দেখবেন বলে জানান।