বন্দর থানার নবীগঞ্জ সিএনজি স্টার্ন ও কামালউদ্দিনের মোড় অটো স্টার্নে চলছে বিএনপি নেতা মাসুূদ রানার নিরব চাদাঁবাজি।
রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পর নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন থেকে দলীয় প্রভাব খাটিয়ে সারাদিনের এজন্য নূন্যতম নামমাত্র একটি টোল আদায় করার কথা থাকলেও নাম্বারিং করে মাসিক নিবন্ধন নামে মোটা অংকের চাঁদাবাজি করছে বলে অভিযোগ করেন সিএনজি ও অটোরিকশার ড্রাইভাররা।
নাম বলতে অনিচ্ছুক জৈনক ড্রাইভার জানান দেশ থেকে স্বৈরাচার ও ফ্যাসিস্টরা পালালেও তাদের চেয়ে ও ভয়ংকর হয়ে উঠছে নব্য বিএনপি নেতা কর্মীরা। জুলাই আন্দোলনের পর কিছুদিন চাঁদাবাজি বন্ধ থাকলেও আবার শুরু হয় এই চাঁদাবাজি। জৈনক আরো জানান দেশে কি এতোই অভাব পরছে প্রতিটি মোড়ে মোড়ে বসে আমাদের মতো গরিবের থেকেও চাদাঁ তুলতে হবে। সারাদিন অটো চালিয়ে পাচঁশত টাকা আয় করতে কষ্ট হয়। এর মাঝে প্রতিদিনই তাদের দিতে হয় ৬০ টাকা করে, আবার করতে হয় মাসিক নিবন্ধন। এই জুলুম কবে শেষ হবে।
বন্দর কুশিয়ারার বাসিন্দা অটোরিকশা ড্রাইভার আবু সায়েম জানান নবীগঞ্জ ঘাটে ও দিতে হয় চাদাঁ এবং কামালউদ্দিনের মোড়েও দিতে হয় চাদাঁ এযেন জোর যার মুল্লুক তার।
এলাকাবাসী জানান বিএনপি নেতাদের চাদাঁবাজি রুখবেকে তারাই তো বর্তমানে দেশের সব, ক্ষমতায় না যেতেই লুটপাট করা শুরু করেছে। সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষদেরকেও রেহাই দিচ্ছেনা এসব চাদাঁবাজরা। এলাকাবাসী আরো জানান আমরা শুনেছি সিটি কর্পোরেশনের দুই একজন অসাধু কর্মকর্তাদের যোগসাজশে এসব চাঁদাবাজি করে যাচ্ছে নেতারা। আমরা আইনশৃঙ্খলা প্রশাসন ভাইদের বলবো আপনারা সরজমিনে এসে সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যেমে আইআনুগ ব্যবস্থা গ্রহন করুন। সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষরে কল্যানে কাজ করুন।
প্রতিবেদক এর নাম 









