বকশীগঞ্জে হয়রানীর প্রতিবাদ ও জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে বীর মুক্তিযোদ্ধার সংবাদ সম্মেলন


Sokal Pratidin প্রকাশের সময় : ০৩/০৩/২০২৩, ১২:০২ অপরাহ্ণ /
বকশীগঞ্জে হয়রানীর প্রতিবাদ ও জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে বীর মুক্তিযোদ্ধার সংবাদ সম্মেলন

বকশীগঞ্জ সংবাদদাতা।

জামালপুরের বকশীগঞ্জে জাল কাগজপত্র তৈরি করে নানা ভাবে হয়রানীর প্রতিবাদ ও জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছেন বীর মুক্তিযোদ্ধা আসাদুল্লাহ। শুক্রবার সকালে বকশীগঞ্জ প্রেসক্লাব কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করেন তিনি।তার বাড়ি উপজেলার বগারচর ইউনিয়নের আলীরপাড়া গ্রামে।এ সময় তার ছেলে মিষ্টার আলী,ভাতিজা নুর নবী ও নাতী মেহেদী হাসান উপস্থিত ছিলেন।সংবাদ সম্মেলনে বীর মুক্তিযোদ্ধা আসাদুল্লাহ লিখিত বক্তব্যে বলেন,আমার জন্ম ১৯৫২ সালের ১ জানুয়ারি।১৯৭১ সালে আমি মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশ গ্রহন করি। স্বাধীনতার পর ১৯৭৭ সনে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হই। আমার স্ত্রীর জন্ম তারিখ ১ ফেব্রুয়ারি ১৯৬৩।১৯৮৬ সালের ২৪ এপ্রিল আমার ছেলে মিষ্টার আলী জন্ম গ্রহন করে। আমার ছেলের জাতীয় পরিচয়পত্রে জন্ম তারিখ ২৪ এপ্রিল ১৯৮৬ এর পরিবর্তে ভূল বশত ৩ মে ১৯৭২ লিপিবদ্ধ হয়।যাহা পরবর্তীতে সংশোধনের জন্য নির্বাচন কমিশনে আবেদন করি।নির্বাচন কমিশন সকল তথ্য প্রমানের ভিত্তিতে তাহা সংশোধন করে দেয়। এরপর থেকে আমার ছেলে মিষ্টার আলী সংশোধীত জাতীয় পরিচয়পত্র ব্যবহার করে আসছে এবং সে বাংলাদেশ রেলওয়েতে চাকুরী করছে।কিন্তু আলীরপাড়া গ্রামের মৃত আবদুর রাজ্জাকের ছেলে রেজাউল দীর্ঘদিন যাবত তার সাথে বিরোধ পোষন করে আসছে। বিরোধের জেরে রেজাউল নিজের মোবাইল নাম্বার ব্যবহার করে চেয়ারম্যান ও মেম্বারদের স্বাক্ষর জাল করে আমার নাম,আমার স্ত্রীর নাম ব্যবহার করে ভূয়া জন্ম সনদ তৈরি করে।এবং সেটা আমার নামে চালানোর পায়তারা করছে।জাল সনদ তৈরি করে আমি ও আমার ছেলের বিরুদ্ধে বিভিন্ন দপ্তরে মনগড়া অভিযোগ দিয়ে হয়রানি করছে।এমনকি সাংবাদিকদের মিথ্যা তথ্যদিয়ে আমার পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশ করিয়েছে।সে নানা ভাবে আমার পরিবারকে হয়রানি করে আসছে।তার এহেন কর্মকান্ডে আমি হয়রানির শিকার হয়ে আসছি।যে কোনও সময় রেজাউল আমিসহ পরিবারের সদস্যদের ক্ষতি করতে পারে।এই ঘটনায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও আবুল কালাম আজাদ এমপি’র কাছে ন্যায় বিচার প্রার্থনা করছি।