ঢাকা ০২:০৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৫ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বকশীগঞ্জে গৃহবধুর মরদেহ উদ্ধার

জামালপুরের বকশীগঞ্জে মিলি আক্তার (১৯) নামে এক নববধূর মরদেহ উদ্ধার করেছে বকশীগঞ্জ থানা পুলিশ।

১৪ আগস্ট (বৃহস্পতিবার) পৌরসভার মেষেরচর পশ্চিমপাড়া এলাকায় স্বামীর বাড়ি থেকে নববধূর মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নিহত গৃহবধূ মিলি আক্তার মেষেরচর পশ্চিমপাড়া গ্রামের রোমান মিয়ার স্ত্রী এবং পৌরসভার কাগমারিপাড়া গ্রামের মোতালেব মিয়ার কন্যা।
মিলির শশুরবাড়ীর লোকজন জানান, বুধবার রাতে খাবার শেষে মিলি নিজের ঘরে গিয়ে দরজা বন্ধ করে শুয়ে পড়েন। স্বামী ডাকাডাকিতে সাড়া না পেয়ে প্রতিবেশীদের সহায়তায় দরজা ভেঙে দেখে ধর্নার সঙ্গে ঝুলতে দেখে মরদেহ নামানো হয়।

নিহত মিলি আক্তারের পিতা মোতালেব মিয়া বলেন, আমি ব্যবসার কাজে দূরে ছিলাম, রাতে আমার মেয়ে তার মাকে ফোন দিয়ে বলে যে, তার শশুরবাড়ীর লোকজন তাকে মেরে নাকফুল খুলে নিয়েছে তার কিছুক্ষন পর আমি জানতে পারি যে আমার মেয়ের মৃত্যু হয়েছে। আমার মেয়ের বিয়ে হয়েছে মাত্র ১৮ দিন। এই কয়েকদিনে আত্মহত্যার মতো ঘটনা ঘটতে পারে না। নিশ্চয়ই এর পিছনে অন্য কোন ঘটনা লুকিয়ে আছে। সঠিক তদন্তের মাধ্যমে আমি এর সুষ্ঠু বিচার চাই।
নিহত মিলি আক্তারের চাচা মিলন মিয়া জানান, মরদেহ ঝুলন্ত অবস্থায় কেউ দেখেনি। তারা যদি অপরাধি না হয় তাহলে কেন পলাতক? তারা জানাযায় অংশগ্রহনও করেনি। আমার ভাতিজিকে হত্যা করে ফাঁস দেওয়ার নাটক সাজিয়েছে তারা।
মরদেহ ধৌতকারী হাছিনা বেগম জানান, মরদেহের সারা শরীরে ফোলা জখম আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।

বকশীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা খন্দকার শাকের আহমেদ বলেন, এ ঘটনায় একটি মামলা হয়েছে। নববধূর মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। এখন পর্যন্ত তার শাশুড়িকে আটক করে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

 

খবর টি শেয়ার করুন :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Munna Khan

সর্বাধিক পঠিত

অপপ্রচারের বিরুদ্ধে বকশীগঞ্জে বাস মালিক সমিতির সংবাদ সম্মেলন।

বকশীগঞ্জে গৃহবধুর মরদেহ উদ্ধার

প্রকাশের সময় : ০৭:১৮:৪৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৫

জামালপুরের বকশীগঞ্জে মিলি আক্তার (১৯) নামে এক নববধূর মরদেহ উদ্ধার করেছে বকশীগঞ্জ থানা পুলিশ।

১৪ আগস্ট (বৃহস্পতিবার) পৌরসভার মেষেরচর পশ্চিমপাড়া এলাকায় স্বামীর বাড়ি থেকে নববধূর মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নিহত গৃহবধূ মিলি আক্তার মেষেরচর পশ্চিমপাড়া গ্রামের রোমান মিয়ার স্ত্রী এবং পৌরসভার কাগমারিপাড়া গ্রামের মোতালেব মিয়ার কন্যা।
মিলির শশুরবাড়ীর লোকজন জানান, বুধবার রাতে খাবার শেষে মিলি নিজের ঘরে গিয়ে দরজা বন্ধ করে শুয়ে পড়েন। স্বামী ডাকাডাকিতে সাড়া না পেয়ে প্রতিবেশীদের সহায়তায় দরজা ভেঙে দেখে ধর্নার সঙ্গে ঝুলতে দেখে মরদেহ নামানো হয়।

নিহত মিলি আক্তারের পিতা মোতালেব মিয়া বলেন, আমি ব্যবসার কাজে দূরে ছিলাম, রাতে আমার মেয়ে তার মাকে ফোন দিয়ে বলে যে, তার শশুরবাড়ীর লোকজন তাকে মেরে নাকফুল খুলে নিয়েছে তার কিছুক্ষন পর আমি জানতে পারি যে আমার মেয়ের মৃত্যু হয়েছে। আমার মেয়ের বিয়ে হয়েছে মাত্র ১৮ দিন। এই কয়েকদিনে আত্মহত্যার মতো ঘটনা ঘটতে পারে না। নিশ্চয়ই এর পিছনে অন্য কোন ঘটনা লুকিয়ে আছে। সঠিক তদন্তের মাধ্যমে আমি এর সুষ্ঠু বিচার চাই।
নিহত মিলি আক্তারের চাচা মিলন মিয়া জানান, মরদেহ ঝুলন্ত অবস্থায় কেউ দেখেনি। তারা যদি অপরাধি না হয় তাহলে কেন পলাতক? তারা জানাযায় অংশগ্রহনও করেনি। আমার ভাতিজিকে হত্যা করে ফাঁস দেওয়ার নাটক সাজিয়েছে তারা।
মরদেহ ধৌতকারী হাছিনা বেগম জানান, মরদেহের সারা শরীরে ফোলা জখম আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।

বকশীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা খন্দকার শাকের আহমেদ বলেন, এ ঘটনায় একটি মামলা হয়েছে। নববধূর মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। এখন পর্যন্ত তার শাশুড়িকে আটক করে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।