নেত্রকোনায় প্রচারিত সংবাদ কে মিথ্যা ও ভিত্তিহীন প্রমাণ করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে চক্রের সদস্যরা।


editor প্রকাশের সময় : ২৮/০২/২০২৪, ৭:৪৭ অপরাহ্ণ /
নেত্রকোনায় প্রচারিত সংবাদ কে মিথ্যা ও ভিত্তিহীন প্রমাণ করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে চক্রের সদস্যরা।

বিশেষ প্রতিনিধি

নেত্রকোণা আধুনিক সদর হাসপাতালে ময়না তদন্ত নিয়ে ছেলে খেলা শিরুনামে সংবাদ প্রকাশের পর থেকে সংবাদটিকে মিথ্যা ভিত্তিহীন প্রমান করার চেষ্টা করছে চক্রের সদস্যরা।
নেত্রকোণা জেলার দশ উপজেলায় যত খুন, অপমৃত্যু হয় তা নেত্রকোণা আধূনিক সদর হাসপাতালে নিয়ে আসা হয় ময়না তদন্ত করে মৃত্যুর কারণ জানার জন্যে। অপমৃত্যু,হত্যার মৃতদেহ আসে ময়না তদন্তের জন্য, আর ধর্ষণ, মারামারির রুগী আসে চিকিৎসা ও ডাক্তারী পরিক্ষা করানোর জন্য। তেমনি জেলার কেন্দুয়া উপজেলার বাট্টা গ্রামের সঞ্জুমিয়ার মৃত্যুর ঘটনায় তিন লাখ সত্তর হাজার টাকার বিনিময়ে পোষ্ট মর্টেম রিপোর্ট বদলানোর ফোন আলাপ ফাঁস হওয়ায় গত ১৫ ফেব্রুয়ারী আরটিভিতে সংবাদ প্রকাশ হওয়ায় চক্রের দুজনের মধ্যে ফোন আলাপ অস্বীকার করে ডোম দিপু। দিপু জানায়, এই কল রেকর্ডটি হল আমি টাকা ধার এনেছিলাম।
মৃতদেহ পরিবহনকারী বাবুলের কাছে হাসপাতালে ময়না তদন্তের জন্য মৃতদেহ নিয়ে আসলে টাকা দিয়ে ময়না তদন্তের রিপোর্ট বদলিয়ে দিবে এমন প্রস্তাব দিত ডোম দীপু। মৃত ব্যাক্তির শরীরে আঘাত না থাকলেও দিপু ও বাবুল ময়না তদন্তের রির্পেটে লিখা হত আঘাত । এর আগে আরও এমন ধরনের কাজ করেছে বলে জানায় বাবুল।
এ বিষয়ে ক্যামেরার সামনে কোন কথা বলতে রাজি নন আবাসিক মেডিক্যাল অফিসার মোহাম্মদ একরামুল হাসান।
এ বিষয়ে কেমেরার সামনে কোন কথা বলেননি হাসপাতাল তথ্যাবধায়ক ডাঃ আবু সাইদ মোঃ মাহবুবুর রহমান। তবে নেত্রকোনা সিভিল সার্জন ডাঃ সেলিম মিঞা বলেন, যদি এ রকম কোন ঘটনা ঘটে থাকে তাহলে তারা আইনের আওতায় আসবে, এটা একটা ক্রিমিলাল কাজ।

এসব অনিয়ম দুর্নীতি বন্ধকরে মৃতব্যাক্তির ন্যায্য অধিকার আদায়ে দুষীদের আইনের আওতায় আনার দাবি নেত্রকোণা বাসীরা।