ঢাকা ০৩:৩৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৫ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

নারায়ণগঞ্জ ৩শ’ শয্যা হাসপাতালে ডিজিটাল ডিসপ্লে স্থাপন

  • নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশের সময় : ০৫:০৭:৪১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৫
  • ২২৪ বার পড়া হয়েছে

নারায়ণগঞ্জ ৩’শ শয্যা হাসপাতালে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসন ও স্বাস্থ্য বিভাগ যৌথভাবে ডিজিটাল ডিসপ্লে বোর্ড স্থাপন করেছে। হাসপাতালটির তিনটি স্থানে এই ডিজিটাল বোর্ড চালু করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার দুপুরে নারায়ণগঞ্জের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিয়া এই ডিজিটাল ডিসপ্লে বোর্ডটির উদ্বোধন করেন। এসময় তার তার সাথে উপস্থিত ছিলো সিভিল সার্জন ডা. এএফএম মুশিউর রহমান, তিনশ শয্যা হাসপাতালের সুপারিন্টেন্ডেন্ট ডা. আবুল বাশারসহ হাসপাতালের অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারিরা।
এসময় জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিয়া বলেন, মানুষ জীবনের সবচেয়ে দুর্বল ও অসহায় মুহূর্তে হাসপাতালে ছুটে আসে চিকিৎসা নিতে। বিশেষ করে অসচ্ছল ও নিম্ন আয়ের নাগরিকরা সরকারি হাসপাতালের উপরই নির্ভরশীল। প্রায় এক কোটি মানুষের এই জেলায় সরকারি হাসপাতালগুলোতে মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিতের লক্ষ্যে জেলা প্রশাসন ও স্বাস্থ্য বিভাগ একত্রে কাজ করে যাচ্ছে।
রোগীদের সুবিধার্থে হুইলচেয়ার সরবরাহ, ডেঙ্গু কিট বিতরণ এবং আয়রন ট্যাবলেট প্রদানসহ বিভিন্ন সহায়তা দেওয়া হয়েছে।
তবে এতসব উদ্যোগের পরেও জনমনে একটি প্রশ্ন রয়ে গিয়েছিল— সরকারি হাসপাতালে গেলে কি সত্যিই কাঙ্ক্ষিত সেবা পাওয়া যায়? কেউ কেউ অভিযোগ করেন, রোগীদের ঢাকায় রেফার করে দেওয়া হয়। আবার হাসপাতালের তথ্য বলছে, প্রতিদিনই প্রচুর রোগী এখানে চিকিৎসা নিচ্ছেন। শুধুমাত্র চলতি মাসেই খানপুর হাসপাতালে প্রায় ৬৫ হাজার রোগী সেবা নিয়েছেন।
এই বাস্তব চিত্র জনসাধারণের সামনে স্বচ্ছভাবে উপস্থাপন করতে হাসপাতালটিতে তিনটি ডিজিটাল বোর্ড স্থাপন করা হয়েছে। বোর্ডগুলোতে প্রতিদিন প্রদর্শিত হবে—
কতজন রোগী হাসপাতালে এসেছেন,
কতজন ইমারজেন্সি বিভাগে ভর্তি হয়েছেন,
কতজন রোগী অপারেশন থিয়েটারে গেছেন এবং
কতজন রোগীকে কী কারণে রেফার করা হয়েছে।
এ উদ্যোগের মাধ্যমে হাসপাতালের দৈনন্দিন সেবা কার্যক্রম জনগণের কাছে উন্মুক্ত থাকবে। ফলে চিকিৎসা ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা বৃদ্ধি পাবে এবং নাগরিকদের মধ্যে সরকারি হাসপাতালের প্রতি আস্থা আরও দৃঢ় হবে।

খবর টি শেয়ার করুন :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Munna Khan

সর্বাধিক পঠিত

অপপ্রচারের বিরুদ্ধে বকশীগঞ্জে বাস মালিক সমিতির সংবাদ সম্মেলন।

নারায়ণগঞ্জ ৩শ’ শয্যা হাসপাতালে ডিজিটাল ডিসপ্লে স্থাপন

প্রকাশের সময় : ০৫:০৭:৪১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৫

নারায়ণগঞ্জ ৩’শ শয্যা হাসপাতালে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসন ও স্বাস্থ্য বিভাগ যৌথভাবে ডিজিটাল ডিসপ্লে বোর্ড স্থাপন করেছে। হাসপাতালটির তিনটি স্থানে এই ডিজিটাল বোর্ড চালু করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার দুপুরে নারায়ণগঞ্জের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিয়া এই ডিজিটাল ডিসপ্লে বোর্ডটির উদ্বোধন করেন। এসময় তার তার সাথে উপস্থিত ছিলো সিভিল সার্জন ডা. এএফএম মুশিউর রহমান, তিনশ শয্যা হাসপাতালের সুপারিন্টেন্ডেন্ট ডা. আবুল বাশারসহ হাসপাতালের অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারিরা।
এসময় জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিয়া বলেন, মানুষ জীবনের সবচেয়ে দুর্বল ও অসহায় মুহূর্তে হাসপাতালে ছুটে আসে চিকিৎসা নিতে। বিশেষ করে অসচ্ছল ও নিম্ন আয়ের নাগরিকরা সরকারি হাসপাতালের উপরই নির্ভরশীল। প্রায় এক কোটি মানুষের এই জেলায় সরকারি হাসপাতালগুলোতে মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিতের লক্ষ্যে জেলা প্রশাসন ও স্বাস্থ্য বিভাগ একত্রে কাজ করে যাচ্ছে।
রোগীদের সুবিধার্থে হুইলচেয়ার সরবরাহ, ডেঙ্গু কিট বিতরণ এবং আয়রন ট্যাবলেট প্রদানসহ বিভিন্ন সহায়তা দেওয়া হয়েছে।
তবে এতসব উদ্যোগের পরেও জনমনে একটি প্রশ্ন রয়ে গিয়েছিল— সরকারি হাসপাতালে গেলে কি সত্যিই কাঙ্ক্ষিত সেবা পাওয়া যায়? কেউ কেউ অভিযোগ করেন, রোগীদের ঢাকায় রেফার করে দেওয়া হয়। আবার হাসপাতালের তথ্য বলছে, প্রতিদিনই প্রচুর রোগী এখানে চিকিৎসা নিচ্ছেন। শুধুমাত্র চলতি মাসেই খানপুর হাসপাতালে প্রায় ৬৫ হাজার রোগী সেবা নিয়েছেন।
এই বাস্তব চিত্র জনসাধারণের সামনে স্বচ্ছভাবে উপস্থাপন করতে হাসপাতালটিতে তিনটি ডিজিটাল বোর্ড স্থাপন করা হয়েছে। বোর্ডগুলোতে প্রতিদিন প্রদর্শিত হবে—
কতজন রোগী হাসপাতালে এসেছেন,
কতজন ইমারজেন্সি বিভাগে ভর্তি হয়েছেন,
কতজন রোগী অপারেশন থিয়েটারে গেছেন এবং
কতজন রোগীকে কী কারণে রেফার করা হয়েছে।
এ উদ্যোগের মাধ্যমে হাসপাতালের দৈনন্দিন সেবা কার্যক্রম জনগণের কাছে উন্মুক্ত থাকবে। ফলে চিকিৎসা ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা বৃদ্ধি পাবে এবং নাগরিকদের মধ্যে সরকারি হাসপাতালের প্রতি আস্থা আরও দৃঢ় হবে।