নাজিরপুরে নৈশ্য প্রহরীর বিরুদ্ধে চতূর্থ শ্রেনীর শিক্ষার্থী’কে শ্লীলতাহানীর অভিযোগ


Munna প্রকাশের সময় : ০৮/০৯/২০২৩, ৯:৩৪ অপরাহ্ণ /
নাজিরপুরে নৈশ্য প্রহরীর বিরুদ্ধে চতূর্থ শ্রেনীর শিক্ষার্থী’কে শ্লীলতাহানীর অভিযোগ

উজ্জল হালদার,নাজিরপুর (পিরোজপুর) প্রতি‌নিধিঃ পিরোজপুরের নাজিরপুরে নৈশ্য প্রহরী কাম-দপ্তরী বিরুদ্ধে চতূর্থ শ্রেনীর এক শিক্ষার্থীকে শ্লীলতাহানী করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। ঘটনাটি ঘটেছে ২৪ আগষ্ট বৃহস্পতিবার উপজেলার ২৭ নং মুগাঝোর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নৈশ্য প্রহরী কাম-দপ্তরী জুবায়ের হোসেন সোহেলের বিরু‌দ্ধে। অভিযুক্ত নৈশ্য প্রহরী কাম-দপ্তরী জুবায়ের হোসেন সোহেল উপজেলার কলারদোয়ানিয়া গ্রামের মোঃ ওবায়দুল ইসলামের ছেলে। এ বিষয়ে উক্ত শিক্ষার্থীর নানী চম্পা বেগম উপজেলা নির্বাহী অফিসার বারাবরে একটি অভিযোগ দাখিল করেন।অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ২৪ আগষ্ট অভিযুক্ত জোবায়ের রহমান সোহেল ওই বিদ্যালয়ের নির্মানাধীন নতুন ভবনের তৃতীয় তলায় আমার নাতনীকে ভয়-ভীতি দেখিয়ে নিয়ে যায় এবং আমার নাতনীর শরীরের বিভিন্ন স্পর্শকাতর স্থানে হাত দেয় এবং ধর্ষনের চেষ্টা করে। এসময় আমার নাতনী চিৎকার দিলে ঘটনাস্থলে ওই বিদ্যালয়ের শিক্ষক শিমুল ও লিমা নামের দুই সহকারি শিক্ষিকা উপস্থিত হয়, পরবর্তীতে অভিযুক্ত জোবায়েরের সাথে উক্ত দুই শিক্ষিকা আলাপ-আলোচনা করে আমার নাতনীকে বিষয়টি কাউকে না বলার জন্য ভীতি প্রদর্শন করে। এবিষয়ে সহকারি শিক্ষিকা শিমুল বিষয়টি এড়িয়ে গিয়ে বলেন, এবিষয়ে আমি কিছু বলতে চাই না,আমার বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ মিথ্যা এবং ষড়যন্ত্রমূলক। এবিষয়ে অত্র স্কুলের প্রধান শিক্ষক মোঃ ফরিদ হোসেন বলেন,উপজেলা শিক্ষা অফিসার ম‌হোদয় ঘটনার তদন্ত করে জেলা শিক্ষা অফিসারের নিকট তদন্ত রির্পোট প্রেরণ ক‌রে জেলা শিক্ষা অফিসার ম‌হোদয় অভিযুক্ত নৈশ্য প্রহরী কাম-দপ্তরী জোবায়ের হোসেন সোহেলকে ৭ কর্মদিবসের মধ্যে নিয়োগ চুক্তি বাতিল এবং চাকুরী থেকে অব্যহতি দেওয়ার জন্য জন্য আমাকে চিঠি দিয়েছেন। বিদ্যালয়ের এস এম সি কমিটির সভাপতি মাসুদ রানা জানান, প্রাথমিক শিক্ষা অফিস থেকে অভিযুক্ত জোবায়ের হোসেন সোহেলকে ৭ কর্মদিবসের মধ্যে নিয়োগ চুক্তি বাতিল এবং চাকুরী থেকে অব্যহতি দেওয়ার জন্য প্রধান শিক্ষককে চিঠি দিয়েছেন, আমরা বিষয়টি নিয়ে দু’একদিনের মধ্যেই এস এম সি কমিটির সকল সদস্যকে নিয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহন করব। এ বিষয়ে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা বিশ্বজিৎ কর্মকার জানান, আমি অভিযোগের প্রেক্ষিতে উক্ত বিদ্যালয়ে স্ব-শরীরে উপস্থিত হয়ে বিষয়টি তদন্ত করেছি এবং আমার উর্দ্ধতন জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে অবহিত করেছি। অভিযুক্ত নৈশ্য প্রহরী কাম-দপ্তরী জোবায়ের হোসেন সোহেলকে তিনি ৭ কর্মদিবসের মধ্যে নিয়োগ চুক্তি বাতিল এবং চাকুরী থেকে অব্যহতি দেওয়ার জন্য প্রধান শিক্ষককে চিঠি দিয়েছেন।