ডেমরায় ইন্টারনেট ব্যবসায়ীকে মারধর ও হুমকি, থানায় অভিযোগের পর ও বেপরোয়া সন্ত্রাসী লিটন গং


Munna প্রকাশের সময় : ১৪/১১/২০২৩, ৫:১৪ অপরাহ্ণ /
ডেমরায় ইন্টারনেট ব্যবসায়ীকে মারধর ও হুমকি, থানায় অভিযোগের পর ও বেপরোয়া সন্ত্রাসী লিটন গং

 

রাজধানীর ডেমরার মহাকাশ রোডের উত্তর সানারপাড়ে ইন্টারনেটে ব্যবসা গুটিয়ে না নেওয়ায় ব্যবসায়ীকে ধরে নিয়ে মারধর ও হুমকির অভিযোগ উঠেছে।

এ বিষয়ে ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী মোঃ রাসেল থানায় অভিযোগ দিয়ে ও কোনো প্রতিকার পাচ্ছে না বলে জানান।

ভুক্তভোগী ইন্টারনেট ব্যবসায়ী মোঃ রাসেল বলেন ২-৩ দিন আগে আমার এবং আমার ভাগিনাদের সাথে নেট ব্যবসায় নিয়ে স্থানীয় মাদক ব্যবসায়ী,দখলবাজ ও আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক গিয়াস উদ্দিন হত্যাসহ একাধিক মামলার আসামী সন্ত্রাসী লিটন,নাছির,আরিফ গং মিলে আমাকে নেট ব্যবসা গুটিয়ে নেওয়ার জন্য প্রাণঃনাশের হুমকি দেয়।আমি কোনো প্রতিবাদ করি নাই ।গত ১২/১১/২৩ ইং তারিখে সানারপাড় চৌ-রাস্তায় আমার ভাগিনারা বাসা যাওয়ার পথে নাছির ও লিটন গং মিলে আমার ভাগিনাদের ডেকে নিয়ে তাদের নেটের অফিসের সামনে নিয়ে এলোপাতাড়ি মারধর করে এবং তাদের ডাক চিৎকারে স্থানীয় লোকজন তাদের উদ্ধার করে তাদের চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নিয়ে যায়।এর পর থানায় মিথ্যা অভিযোগ করে আমাকে এবং আমার পরিবারকে প্রশাসন দিয়ে বিভিন্নভাবে হয়রানি ও আমাকে হুমকি ধামকি দিচ্ছে।তাদের মিথ্যা অভিযোগের ভিত্তিতে থানা পুলিশ কয়েকবার আমার বাসায় তল্লাসির জন্য আসে পরবর্তীতে তাদের মিথ্যা অভিযোগের কথা শুনে আমি ডেমরা থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করি এবং আমার অভিযোগ আমলে না নিয়ে থানা পুলিশ এখনো সঠিক তদন্ত করতে আসে নি বরং প্রশসানের লোক আমাকে এবং আমার পরিবারের উপর হুমকি ধামকি দিচ্ছে।আমি এবং আমার পরিবার বর্তমানে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি।ব্যবসায়ী রাসেল আরো ও অভিযোগ করে বলেন,লিটন গং তাদের দোকানের সামান্য কিছু মালামাল বিক্রি করে দোকান ভাংচুর ও হামলার মিথ্যা নাটক সাজিয়ে থানায় মামলা দায়ের করেছে।

এ বিষয়ে দোকানের মালামাল ক্রয় করা সাইফুল ইসলাম জানান,লিটনের ভাই নাছিরের দোকানে অল্প মালমাল ছিল।আমি তার দোকানের মালামাল ক্রয় করি।তবে পরবর্তীতে কী হয়েছে তা সঠিক জানেন না বলে জানান তিনি।

স্থানীয়রা জানায়, নিজে নিজেই মোড়ল খ্যাত বিএনপির পৃষ্ঠপোষকতার সাথে জড়িত লিটন গং। প্রকাশ্যে দিনের পর দিন মাদক ব্যবসা, চাঁদাবাজি, মানুষকে মারধর সহ নানা জুলুম অত্যাচার করছে স্থানীয়দের উপর। তাদের অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে ইতিমধ্যেই অনেকে এলাকা ছাড়তে বাধ্য হচ্ছে বলেও জানান স্থানীয়রা।তাদের ভয়ে এলাকায় কেউ মুখ খুলতে সাহস পায় না।

এ বিষয়ে স্থানীয় কাউন্সিলর মতিন সাউদ বলেন,অভিযোগের বিষয়টি শুনেছি ।উভয়পক্ষকের সাথে কথা বলে সুরাহার চেষ্টা করবেন বলে জানান তিনি।

ডেমরা থানার ওসি জহিরুল ইসলাম বলেন,ঘটনার সত্যতা যাচাই করে তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।