নিজস্ব প্রতিবেদক:
গাজীপুর মহানগরের টঙ্গী পশ্চিম থানার ৫৪ নং ওয়ার্ডের আউচপাড়া এলাকায় সরদার তৌহিদুল হক মিলন ও তাঁর ভাই সরদার তৌফিকুল হক নয়নের বিরুদ্ধে সরকারি আইন অমান্য করে বহুতল ভবন নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে।
ভুক্তভোগী প্রতিবেশী সেলিম আহমেদ রাজু জানান, ২০২৩ সালে নির্মাণাধীন এ ভবনের কাজ শুরু হয়। তিনি প্রথমে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সহযোগিতা চান এবং পরে গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনে লিখিত অভিযোগ করেন। একাধিকবার গাজীপুর উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (গাউক) কাজ বন্ধের নির্দেশ দিলেও, অদৃশ্য শক্তির ইশারায় আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে কাজ চলমান রয়েছে।
গাজীপুর উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (গাউক) স্মারক নং: ২৫০০.০০০০.০০৭.৩২, ১৩২.২৫/২৬৯, তারিখ ০২/০৯/২০২৫ খ্রিঃ অনুযায়ী সরদার তৌহিদুল হক মিলনকে ইমারত নির্মাণ আইন, ১৯৫২ এর ৩বি ধারা অনুযায়ী কারণ দর্শানোর নোটিশ প্রদান করা হয়। নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে, উক্ত জমিতে অনুমোদিত নকশা ছাড়াই ভবন নির্মাণ করা হয়েছে এবং ইতোমধ্যে মানুষ বসবাস করছে।
তদন্তকালে কোনো অনুমোদিত নকশা প্রদর্শন করতে না পারায় কর্তৃপক্ষ সাত দিনের মধ্যে লিখিতভাবে কারণ দর্শানোর নির্দেশ দেয়। ব্যর্থ হলে ইমারত নির্মাণ আইন অনুযায়ী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে এবং বিষয়টি নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত ভবনের সব ধরনের কাজ ও ব্যবহার বন্ধ রাখতে বলা হয়।
গাউকের নোটিশে আরও উল্লেখ করা হয়, ঢাকা মহানগর (নির্মাণ, সংরক্ষণ ও অপসারণ) বিধিমালা ২০০৮ এর বিধি ২৯ অনুযায়ী উক্ত ভবনে কোনো ধরনের ইউটিলিটি সেবা (গ্যাস, বিদ্যুৎ, পানি ইত্যাদি) প্রদান না করার জন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এ বিষয়ে টঙ্গী পশ্চিম থানা পুলিশকেও নির্মাণ কার্যক্রম বন্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য অনুরোধ করেছে গাউক। স্থানীয় প্রভাবশালী মহলের ছত্রছায়ায় এবং পাথর-ইট-বালির সাপ্লায়ার চক্রের ইশারায় প্রশাসনিক পদক্ষেপ কার্যকর হচ্ছে না বলে ভুক্তভোগীদের অভিযোগ।
ভুক্তীভোগীরা আশা করছেন, সরকারের আইন প্রয়োগকারী সংস্থা এ ঘটনায় সর্বোচ্চ ন্যায্য ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।
প্রতিবেদক এর নাম 














