ঢাকা ০৭:৫৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ মার্চ ২০২৬, ২১ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

গাইবান্ধায় ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ মাধ্যমে হতদরিদ্র পরিবারের ২৪ জন সদস্যকে বকনা বাছুর বিতারণ

মুনির হাসান, প্রতিনিধি গাইবান্ধা।
গাইবান্ধা জেলায় পৌরসভার আওতাধীন হতদরিদ্র ও দুস্থ পরিবারের মোট ২৪ জন সদস্যকে আজ দুপুরে ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ, গাইবান্ধা এরিয়া প্রোগ্রামের পক্ষ থেকে বকনা বাছুর বিতারণ করা হয়েছে।
হংকং ভিত্তিক আর্থিক সহায়তা প্রতিষ্ঠান এবং সংগঠনের “উপহার ক্যাটালগ প্রকল্পের” আওতায় সুবিধাভোগী পরিবারের সদস্যদের মধ্যে বকনা বাছুরগুলি বিতরণ করা হয়েছে।
এ বিষয়ে আজ দুপুরে শহরের প্রাণকেন্দ্র জেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর প্রাঙ্গণে জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ড. আব্দুর রাজ্জাকের সভাপতিত্বে একটি আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (এডিসি)-জেনারেল একেএম হেদায়েতুল ইসলাম প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন এবং সদর উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা তরুণ কুমার দত্ত, রংপুর এরিয়া কো-অর্ডিনেশন অফিসের ফিল্ড টেকনিক্যাল স্পেশালিস্ট-লাইভলিহুড টেকনিক্যাল প্রোগ্রাম মোঃ  তাহমিদুর রহমান বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন।
অনুষ্ঠানে বক্তৃতাকালে, এডিসি-জেনারেল এ কে এম হেদায়েতুল ইসলাম নির্বাচিত সুবিধাভোগী সদস্যদের ভবিষ্যতে বাছুর থেকে ভালো মুনাফা অর্জনের লক্ষ্যে তাদের নিজস্ব সন্তানের মতো সঠিকভাবে বাছুর লালন-পালনের আহ্বান জানান।যাতে নুতনভাবে পরিবারের আর্থিক ভাবে লাভবান হয় সেদিকে লক্ষ্য রেখে ভবিষ্যৎ এ প্রকল্পের মাধ্যমে হত দরিদ্র পরিবার গুলোকে দারিদ্র মুক্ত বাংলাদেশ করা যায় সেদিকে বেসরকারি প্রতিষ্টান গুলোকে এগিয়ে আসতে হবে।
তিনি ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশকে ধন্যবাদ জানান যে তারা দরিদ্র পরিবারগুলোর পাশে দাঁড়িয়ে বাছুর পালন করছেন, যাতে পরিবারের সদস্যদের আয়বর্ধক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করে তাদের আর্থ-সামাজিক অবস্থার ধীরে ধীরে পরিবর্তন আনা যায়।
পরে, প্রধান অতিথি আনুষ্ঠানিকভাবে সুবিধাভোগীদের মধ্যে বকনা বাছুরগুলি অসহায় পরিবারের সদস্যদের বিতারণ  করেন।অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন এরিয়া প্রোগ্রাম ম্যানেজার উত্তম বি. দাস, সিনিয়র প্রোগ্রাম অফিসার জোসেফ মার্ডি, প্রোগ্রাম অফিসার আলবার্ট সরকার, জান্নাতুল মাওয়া, শাহ, মোঃ মোত্তাসিম বিল্লাহ সহ সংস্থার অন্যান্যদের মধ্যে আনিন্দিতা কুণ্ডু এবং ডেইলি সান ও অবজারভার এর সিনিয়র সাংবাদিক সরকার মোহাম্মদ শহীদুজ্জামান উপস্থিত ছিলেন।
এরিয়া প্রোগ্রাম ম্যানেজার উত্তম বি. দাস বলেন, জেলার সদর উপজেলার খোলাহাটি, ঘাগোয়া, গিদারী ও কামারজানি ইউনিয়ন এবং গাইবান্ধা পৌরসভার দরিদ্র পরিবারগুলিকে আয়বর্ধক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করে তাদের দারিদ্র্য দূরীকরণের জন্য ১০০টি বকনা গরু বিতরণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, সেই অনুযায়ী, আজ পৌরসভার নির্বাচিত সুবিধাভোগী সদস্যদের মধ্যে প্রায় ২৪টি বকনা বাছুর পরিবারগুলোর সদস্যদের মাঝে বিতরণ করা হলো।
তিনি আরও বলেন, সুবিধাভোগী সদস্য নির্বাচনের ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধী/ ফিজিক্যাল ডিজএবিলিটি পরিবারগুলিকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে।
খবর টি শেয়ার করুন :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Munna Khan

কাঞ্চন পৌরবাসীর প্রত্যাশা—মেয়র হিসেবে দেখতে চান অ্যাডভোকেট আমিরুল ইসলাম ইমনকে

গাইবান্ধায় ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ মাধ্যমে হতদরিদ্র পরিবারের ২৪ জন সদস্যকে বকনা বাছুর বিতারণ

প্রকাশের সময় : ১১:৪২:৪৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ মার্চ ২০২৫
মুনির হাসান, প্রতিনিধি গাইবান্ধা।
গাইবান্ধা জেলায় পৌরসভার আওতাধীন হতদরিদ্র ও দুস্থ পরিবারের মোট ২৪ জন সদস্যকে আজ দুপুরে ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ, গাইবান্ধা এরিয়া প্রোগ্রামের পক্ষ থেকে বকনা বাছুর বিতারণ করা হয়েছে।
হংকং ভিত্তিক আর্থিক সহায়তা প্রতিষ্ঠান এবং সংগঠনের “উপহার ক্যাটালগ প্রকল্পের” আওতায় সুবিধাভোগী পরিবারের সদস্যদের মধ্যে বকনা বাছুরগুলি বিতরণ করা হয়েছে।
এ বিষয়ে আজ দুপুরে শহরের প্রাণকেন্দ্র জেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর প্রাঙ্গণে জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ড. আব্দুর রাজ্জাকের সভাপতিত্বে একটি আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (এডিসি)-জেনারেল একেএম হেদায়েতুল ইসলাম প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন এবং সদর উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা তরুণ কুমার দত্ত, রংপুর এরিয়া কো-অর্ডিনেশন অফিসের ফিল্ড টেকনিক্যাল স্পেশালিস্ট-লাইভলিহুড টেকনিক্যাল প্রোগ্রাম মোঃ  তাহমিদুর রহমান বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন।
অনুষ্ঠানে বক্তৃতাকালে, এডিসি-জেনারেল এ কে এম হেদায়েতুল ইসলাম নির্বাচিত সুবিধাভোগী সদস্যদের ভবিষ্যতে বাছুর থেকে ভালো মুনাফা অর্জনের লক্ষ্যে তাদের নিজস্ব সন্তানের মতো সঠিকভাবে বাছুর লালন-পালনের আহ্বান জানান।যাতে নুতনভাবে পরিবারের আর্থিক ভাবে লাভবান হয় সেদিকে লক্ষ্য রেখে ভবিষ্যৎ এ প্রকল্পের মাধ্যমে হত দরিদ্র পরিবার গুলোকে দারিদ্র মুক্ত বাংলাদেশ করা যায় সেদিকে বেসরকারি প্রতিষ্টান গুলোকে এগিয়ে আসতে হবে।
তিনি ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশকে ধন্যবাদ জানান যে তারা দরিদ্র পরিবারগুলোর পাশে দাঁড়িয়ে বাছুর পালন করছেন, যাতে পরিবারের সদস্যদের আয়বর্ধক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করে তাদের আর্থ-সামাজিক অবস্থার ধীরে ধীরে পরিবর্তন আনা যায়।
পরে, প্রধান অতিথি আনুষ্ঠানিকভাবে সুবিধাভোগীদের মধ্যে বকনা বাছুরগুলি অসহায় পরিবারের সদস্যদের বিতারণ  করেন।অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন এরিয়া প্রোগ্রাম ম্যানেজার উত্তম বি. দাস, সিনিয়র প্রোগ্রাম অফিসার জোসেফ মার্ডি, প্রোগ্রাম অফিসার আলবার্ট সরকার, জান্নাতুল মাওয়া, শাহ, মোঃ মোত্তাসিম বিল্লাহ সহ সংস্থার অন্যান্যদের মধ্যে আনিন্দিতা কুণ্ডু এবং ডেইলি সান ও অবজারভার এর সিনিয়র সাংবাদিক সরকার মোহাম্মদ শহীদুজ্জামান উপস্থিত ছিলেন।
এরিয়া প্রোগ্রাম ম্যানেজার উত্তম বি. দাস বলেন, জেলার সদর উপজেলার খোলাহাটি, ঘাগোয়া, গিদারী ও কামারজানি ইউনিয়ন এবং গাইবান্ধা পৌরসভার দরিদ্র পরিবারগুলিকে আয়বর্ধক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করে তাদের দারিদ্র্য দূরীকরণের জন্য ১০০টি বকনা গরু বিতরণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, সেই অনুযায়ী, আজ পৌরসভার নির্বাচিত সুবিধাভোগী সদস্যদের মধ্যে প্রায় ২৪টি বকনা বাছুর পরিবারগুলোর সদস্যদের মাঝে বিতরণ করা হলো।
তিনি আরও বলেন, সুবিধাভোগী সদস্য নির্বাচনের ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধী/ ফিজিক্যাল ডিজএবিলিটি পরিবারগুলিকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে।