কেশরহাটের দু’টি পাবলিক টয়লেট ভেঙে ফেলায় চরম দুর্ভোগ


Munna প্রকাশের সময় : ২৬/০২/২০২৩, ১২:০০ পূর্বাহ্ণ /
কেশরহাটের দু’টি পাবলিক টয়লেট ভেঙে ফেলায় চরম দুর্ভোগ

 ঝর্ণা খাতুন,রাজশাহী : রাজশাহীর মোহনপুর উপজেলার বৃহত্তর হাট কেশরহাট। প্রায় অর্ধশত বছরের পুরোনো দু’টি ভেঙে ফেলায় হাটে নেই কোনো পাবলিক টয়েলেট। কেশরহাট পৌরসভার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ এই হাটে পাবলিক টয়লেট না থাকায় প্রতিনিয়ত চরম ভোগান্তিতে পড়ছে সাধারণ মানুষ। বিশেষ করে বেশি ভোগান্তিতে পড়তে হয় নারীদের।তবে সংশ্লিষ্ট পৌর কর্তৃপক্ষ বলছে, ভেঙে ফেলা টয়েলেট নির্মাণের কাজ চলছে। খুব দ্রুতই সেটি চালু করা হবে। শুক্রবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) সরেজমিনে মোহনপুর উপজেলার কেশরহাটে গিয়ে জনসাধারণের সাথে কথা বলে দেখা যায়, হাটে গরু ও মুরগী হাটের পাশে দু’টি পুরোনা পাবলিক টয়েলেট ছিল। বেশ কয়েক বছর আগে গরু হাটের টয়েলেট ভেঙে গড়ে তোলা হয়েছে ফার্নিচারের দোকান। আর বছরখানেক আগে মুরগী হাটের পাশে পাবলিক টয়েলেট ভেঙে পৌর মেয়রসহ তিন কাউন্সিল নির্মাণ করছেন বহুতলা দোকানঘর। বর্তমানে হাটে কোনো পাবলিক টয়েলেট না থাকায় হাটে আসা লোকজন কেশরহাট ভূমি অফিসের টয়লেটে ব্যবহার করতে বাধ্য হচ্ছে। এতে করে চরম বিপাকে পড়েছেন ভূমি অফিস। সপ্তাহে শনিবার ও বুধবার হাট বার ছাড়াও এই হাটটি গুরুত্বপূর্ণ হওয়ার আশে পাশের কয়েকটি উপজেলা থেকে হাজারো মানুষ আসেন ব্যবসায়ীর লক্ষে। টয়লেট ব্যবহারের প্রয়োজন হলে তাদেরকে ধরনা দিতে একমাত্র ভরসা ভূমি অফিসের টয়েলেটে। টয়েলেটটি বন্ধ থাকলে পড়তে হয় চরম দুর্ভোগে। পৌর কর্তৃপক্ষ ও জনপ্রতিনিধিদের কর্মকাণ্ড নিয়েও প্রশ্ন তুলেন অনেকে। এদিকে নিদিষ্ট কোনো পাবলিক টয়েলেট না থাকায় হাটের খোলা জায়গায় পোস্রাব পায়খানা করায় দিন দিন নষ্ট হচ্ছে পরিবেশ। এতে করে স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে পড়তে হচ্ছে ব্যবসায়ীদের। দীর্ঘদিনের এই সমস্যা সমাধান না হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন হাটের ব্যবসায়ীরা।কেশরহাট পৌরসভার মেয়র শহিদুজ্জামান শহিদ বলেন, “হাটে পাবলিক টয়েলেট নেই, কথাটি সঠিক নয়। এনসিডিবি মার্কেটে টয়েলেট রয়েছে। মুরগী হাটের পুরোনো টয়েলেট ভেঙে নতুন করে নির্মাণের কাজ চলছে। দ্রুত টয়েলেট চালু করা হবে।”