কাঞ্চন বিএনপির একাংশে হামলা আরেকাংশে পৃষ্ঠপোষকতা আ.লীগের


Munna প্রকাশের সময় : ০৩/০৫/২০২৩, ৫:১৭ অপরাহ্ণ /
কাঞ্চন বিএনপির একাংশে হামলা আরেকাংশে পৃষ্ঠপোষকতা আ.লীগের

নারায়ণগঞ্জের রুপগঞ্জে কাঞ্চন পৌরসভা বিএনপির একাংশের নেতাকর্মীদের রাজপথে কর্মসূচী পালন তো দূরের কথা কেন্দ্রীয়ভাবে কর্মসূচীর ডাক আসলে যেখানে বাড়িঘরে থাকতে দেয়া হয়না সেখানে আরেক অংশের নেতাকর্মীদের বিশাল আয়োজন করে ঈদ পুনর্মিলনী করতে সহযোগিতা করছেন স্থানীয় আওয়ামীলীগ ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা, এমনটা অভিযোগ পাওয়া গেছে। বুধবার (৩ মে) কাঞ্চন পৌরসভা এলাকায় ৬ নং ওয়ার্ডের বাজারের পাশে কাঞ্চন পৌর বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব হামিদুল খানের উদ্যোগে ও আয়োজনে এ ঈদ পুনর্মিলনে অনুষ্ঠিত হচ্ছে। কাঞ্চন বিএনপি নবগঠিত কমিটি হবার পর এখন সে সাবেক হলেও পূর্বের পদ ব্যবহার অরে ঈদ পুনর্মিলনীর জন্য ডেলিগেট কার্ড বিতরণ করছেন। জানা যায়, তার ভাই মজিরুল হক খান কাঞ্চন পৌর শ্রমিক লীগের সভাপতি। তার ভাতিজাসহ আরো কয়েকজন আওয়ামীলীগের প্রত্যক্ষ রাজনীতির সাথে জড়িত। এর মধ্যে অভিযোগ রয়েছে তাদের ছত্রছায়ায় বিএনপির নেতাকর্মীদের নিয়ে এ ঈদ পুনর্মিলনীর আয়োজন করেছেন হামিদুল। স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীদের সাথে কথা বলে জানা যায়, বর্তমান কাঞ্চন পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মফিকুল ইসলাম খানের বাসায় বার বার হামলা হয় আওয়ামীলীগের। দলীয় নেতাকর্মীদের কোন কর্মসূচী আসলেই তাদের বাড়িতে গিয়ে হামলা চালায় আওয়ামীলীগের নেতাকর্মীরা। গত বছর হামলা চালিয়ে মফিকুল ইসলাম খানের বাড়িতে ব্যাপক তান্ডব ও লুটপাটও চালানো হয়। দলের কোন কেন্দ্রীয় কর্মসূচী আসলেই বা স্থানীয় কর্মসূচী আসলে তার আগেই তাদের বাড়িঘরে চলে তান্ডব। অপরদিকে হামিদুল ও তার নেতাকর্মীদের প্রকাশ্যে কর্মসূচী পালনে সহযোগিতা করা হয় আওয়ামীলীগের পক্ষ থেকে। নেতাকর্মীরা জানান, মূলত আওয়ামীলীগ তাদের পৃষ্ঠপোষকতা করে তাদের অনুগত একটি বি টিম তৈরী করেছেন বিএনপি হামিদুল ও তার নেতাকর্মীদের অংশ দিয়ে। এই অংশের কারণে রাজপথের নেতাকর্মীরা কোণঠাসা। তাদের এখন রাজপথে সেভাবে অংশ নিতে গেলেই আসে হামলা ও হামলা। কিন্তু হামিদুল ও তার নেতাকর্মীদের প্রকাশ্যে কোন কর্মসূচী পালনেই নেই বাধা। এ ব্যাপারে পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মফিকুল ইসলাম খান জানান, গত বছর আমার বাড়িতে নারকীয় তান্ডব চালিয়ে লুটপাট করা হয়। আমার নেতাকর্মীদের বাড়িঘরে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ব্যাপক হামলা চালানো হয়। এসব হামলা মামলা প্রতিরোধ করেই আমরা পৌরসভায় রাজনীতি করে আসছি। আমরা আঁতাতের রাজনীতির সাথে যুক্ত নই। রূপগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এএফএম সায়েদ জানান, পৌরসভায় কর্মসূচী পালনের কোন তথ্য নেই আমাদের কাছে।